ঢাকাWednesday , 28 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আগুনে ১০ জনের মৃত্যু: পরিচয় শনাক্ত হয়নি কারও: এখনও নিখোঁজ একজন


October 19, 2026 5:45 pm
Link Copied!


কক্সবাজারের পাটুয়ারটেক সৈকতে টুপটুপ রিসোর্টের অগ্নিকাণ্ডে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার হলেও এখনও একজন নিখোঁজ রয়েছেন। তার খোঁজে রিসোর্টটিতে আবার তল্লাশি চালিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

শনিবার সকালে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের পাটুয়ারটেক সৈকতে কাঠের তৈরি টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। তবে সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকাল ৫টা পর্যন্ত উদ্ধার হওয়া কোনও মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। মরদেহগুলো কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গের হিমঘরে রাখা হয়েছে।

নিখোঁজ স্বজনদের খোঁজে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কক্সবাজারে ছুটে এসেছেন অনেকে। তারা হাসপাতালের মর্গ ও পুড়ে যাওয়া রিসোর্টে স্বজনদের খোঁজ করছেন। কিন্তু আগুনে মরদেহগুলো এতটাই পুড়ে গেছে যে চেহারা দেখে কাউকে চেনার উপায় নেই। হাত, গলা কিংবা পায়ে থাকা অলংকার দেখে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করছেন স্বজনেরা। তাতেও কোনও সমাধান মিলছে না।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, ‘বিভিন্ন গণমাধ্যমে টুপটুপ রিসোর্টে আগুনে নিহত ব্যক্তিদের কয়েকটি পরিবারের ছবি ও পরিচয় প্রকাশিত হয়েছে। তবে ১০টি মরদেহের প্রকৃত পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়নি। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় মরদেহগুলোর ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। কক্সবাজারে এ পরীক্ষার ল্যাব না থাকায় নমুনা ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। পরীক্ষার পর পরিচয় শনাক্ত করে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ জন্য কিছুদিন সময় লাগবে।’

নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে তল্লাশি চলছে বলে জানালেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন) লে. কর্নেল আজাদ আনোয়ার। তিনি বলেন, ‘রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিখোঁজের তালিকায় ১১ জন থাকলেও ১০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অতিরিক্ত তাপমাত্রার কারণে ধ্বংসস্তূপের সব জায়গায় তল্লাশি চালানো সম্ভব হয়নি। কাঠের তৈরি ওপরের তলাগুলো ভেঙে নিচে পড়ায় কেউ চাপা পড়ে আছেন কি না, তা দেখতে গতকাল নতুন করে তল্লাশি চালানো হয়। তবে কোনো মরদেহ পাওয়া যায়নি।’

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাসনীম জাহান বলেন, ‘নিখোঁজ একজন অগ্নিকাণ্ডের সময় রিসোর্টের ভেতরে ছিলেন, নাকি বাইরে ছিলেন, তা নিশ্চিত হতে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি) ও তদন্তকারী দল কাজ করছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের মুঠোফোন নম্বরের নেটওয়ার্ক লোকেশন ও অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।’

পুলিশ, হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, জেলা প্রশাসন ও স্বজনদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিহত ১০ জনের মধ্যে ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান (৩০) ও মিলিতা মেহেজাবিন (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান (২৭) ও নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) এবং পাঁচ বছর বয়সী ফায়িজান আহম্মেদ রয়েছেন। বাকি ব্যক্তিদের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নিহতদের বাইরে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ ছয়জনকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তারা হলেন মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন (৩১), তার স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান (২৯), মান্নান (৩৪), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও সামিদা (৩২)। অবস্থার অবনতি হলে তাদের মধ্যে চারজনকে শনিবার বিকেলে বিমানে ঢাকায় পাঠানো হয়।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সুবক্তগীন মাহমুদ সোহেল বলেন, ‘হাসপাতালে এখন অগ্নিকাণ্ডে আহত কোনও রোগী ভর্তি নেই। স্বজনদের খোঁজে অনেকে হাসপাতালে আসছেন। কিন্তু ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়া মরদেহগুলোর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব নয়। আগুনে মরদেহগুলো বিকৃত হয়ে যাওয়ায় নারী, পুরুষ কিংবা শিশু হিসেবে আলাদা করাও কঠিন। গতকাল সন্ধ্যায় সিআইডির সদস্যরা মর্গের হিমঘরে রাখা মরদেহগুলো থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছেন। পরীক্ষার জন্য সেগুলো ঢাকায় পাঠানো হবে।’

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার সাজেদুর রহমান বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের মধ্যে একই পরিবারের ছয়জন ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহগুলো এতটাই পুড়ে গেছে যে ডিএনএ পরীক্ষা ছাড়া পরিচয় শনাক্ত করা কঠিন। ডিএনএ পরীক্ষার ফল পেতে কিছুদিন সময় লাগবে।’





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html