ঢাকাThursday , 29 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যেভাবে চোখ ফাঁকি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পালালেন বলসোনারো, নেপথ্যে আর্জেন্টিনা


October 29, 2026 2:35 pm
Link Copied!


জনসমক্ষ থেকে এক দিনের বেশি সময় অনুপস্থিত থাকার পর সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছে নিজেকে ব্রাজিলের মূল ‘নেতা’ হিসেবে দাবি করেছেন পরাজিত প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ফ্লাভিও বলসোনারো। ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট পাসপোর্ট জমার নির্দেশ দেওয়ার পরও আর্জেন্টিনা ও ইকুয়েডর হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যান তিনি। ওয়াশিংটনে পৌঁছানোর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে কোনও প্রমাণ ছাড়াই তিনি অভিযোগ তোলেন, প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভা ও তার চরমপন্থী সহযোগীরা ভোট কারচুপি করে জয়ী হয়েছেন।

এক্সে ৪৫ বছর বয়সী এই ডানপন্থী নেতা লেখেন, ‘রবিবার রাতে আমার চোখের সামনে যে নির্বাচনী জালিয়াতি ঘটেছে, তাতে আমি স্তব্ধ’। লুলার সাবেক আইনজীবী ও ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ক্রিস্টিয়ানো জানিনের বিরুদ্ধে ‘অবৈধ কর্মকাণ্ডে’ যুক্ত থাকার অভিযোগ এনে তিনি দাবি করেন, আদালত গাণিতিক অসম্ভবকে বাস্তবে রূপ দিয়ে প্রথম ও দ্বিতীয় দফার মধ্যে প্রায় ১ কোটি ভোট যোগ করার সুযোগ করে দিয়েছে।

কারাগারে থাকা ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিও বলসোনারোর বিরুদ্ধে একাধিক তদন্ত চলায় দেশত্যাগের আশঙ্কায় সুপ্রিম কোর্ট তার পাসপোর্ট জব্দের নির্দেশ দিয়েছিল। তবে তিনি তা জমা না দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যান।

ফ্লাভিও বলসোনারোর দেশত্যাগের ঘটনাক্রম

রবিবার: বামপন্থী প্রার্থী লুলার কাছে নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর ব্রাসিলিয়া থেকে ক্ষুব্ধ ভঙ্গিতে সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেন বলসোনারো। ভাষণে তিনি ফলাফল স্বীকার করতে অস্বীকৃতি জানান এবং ভোট বাতিলের আইনি লড়াই চালানোর ঘোষণা দেন।

সোমবার: ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা এক ভিডিওতে তিনি অনুসারীদের জানান, আদালত তাকে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, যা তাকে ভীতি প্রদর্শনের স্পষ্ট চেষ্টা। তিনি বলেন, ‘দেশ ছাড়ার কোনও ইচ্ছা আমার ছিল না। আমি পাসপোর্ট জমা দেব এবং আদালতের মুখোমুখি হব’।

মঙ্গলবার: ব্রাসিলিয়া ছাড়ার পর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর পুয়ের্তো ইগুয়াজু থেকে তিনি উড্ডয়ন করবেন বলে গণমাধ্যমে খবর আসে। ওইদিন তার ব্রাজিলীয় ও কূটনৈতিক পাসপোর্ট বাতিল করা হলেও মার্কিন গণমাধ্যমগুলো জানায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পথে রয়েছেন। এদিকে তার প্রচারণা ব্যবস্থাপক রজেরিও মারিনহো জানান, তিনি বলসোনারোর সঠিক অবস্থান সম্পর্কে কিছুই জানেন না।

বুধবার: গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর বুধবার জানা যায়, তিনি তখনও ব্রাজিলেই ছিলেন। অবশেষে ব্রাজিলের ফোজ দো ইগুয়াজু শহর থেকে আর্জেন্টিনার পুয়ের্তো ইগুয়াজুর সংযোগকারী তানক্রেদো নেভেস আন্তর্জাতিক সেতু দিয়ে বৈধ ইতালীয় পাসপোর্ট ব্যবহার করে আর্জেন্টিনায় প্রবেশ করেন তিনি। ব্রাজিলীয় পাসপোর্ট বাতিল থাকা সত্ত্বেও ব্রাজিলের দীর্ঘ ১,৫০০ কিলোমিটার পথ তিনি কীভাবে পাড়ি দিলেন, তা এখনও রহস্যজনক। ব্রাজিল পুলিশ জানিয়েছে, সরকারি নথিতে তার দেশত্যাগের কোনও রেকর্ড নেই।

যুক্তরাষ্ট্রে আগমন: আর্জেন্টিনায় পৌঁছানোর পর ব্যক্তিগত জেটে পরিবারসহ ইকুয়েডরের গুয়াইয়াকিল বন্দরে পৌঁছান এবং সেখানে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি শেষে মিয়ামির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। আর্জেন্টিনা ছাড়ার ১২ ঘণ্টা পর ফ্লোরিডার ওপা-লকা বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তারা। যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটির তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া কূটনৈতিক পাসপোর্ট ব্যবহার করেই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন তিনি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ফ্লাভিও বলসোনারোকে দেশে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। ট্রাম্প বলেন, আমরা তাকে দেশে আসার অনুমতি দিয়েছি।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বলসোনারো এখন যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসিত রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা করছেন। তবে ওয়াশিংটনের মিত্রদের চাপ থাকা সত্ত্বেও হোয়াইট হাউস বলসোনারোকে আশ্রয় দেওয়া ছাড়া লুলার পুনর্নির্বাচনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর কোনও জোরালো সংকেত দেয়নি। 

সূত্র: এনডিটিভি





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html