ঢাকাWednesday , 4 November 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ডিসেম্বরে নতুন মজুরি কাঠামোর আশ্বাস: তবুও কেন ‘অনিশ্চয়তায়’ শ্রমিকরা


November 4, 2026 10:40 pm
Link Copied!


তৈরি পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে চূড়ান্ত করে জানুয়ারি থেকে বর্ধিত বেতন দেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছেন মালিক ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধিরা। বুধবার (৪ নভেম্বর) নিম্নতম মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা শেষে এ ঘোষণা আসে। একই দিন শ্রম মন্ত্রণালয়ের ত্রিপক্ষীয় বৈঠক থেকেও শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে মজুরি বোর্ড গঠন এবং নতুন বেতন কার্যকরের সময়সীমা ঘোষণার পরও শ্রমিক অসন্তোষ থামেনি। রাজধানীর মিরপুর, নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা, গাজীপুরসহ বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা অব্যাহত রয়েছেই।

প্রশ্ন উঠেছে, নতুন মজুরি নির্ধারণের উদ্যোগ এবং জানুয়ারি থেকে বর্ধিত বেতন পাওয়ার আশ্বাসের পরও কেন আন্দোলনে রয়েছেন শ্রমিকরা?

শ্রমিকদের বক্তব্য, শুধু মজুরি বোর্ড গঠন কিংবা নতুন বেতন কার্যকরের সময় ঘোষণা করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। কত টাকা মজুরি নির্ধারণ করা হবে, তা জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে কি না; এসব বিষয়েও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত চান তারা। পাশাপাশি শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ, ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার, রেশনিং ব্যবস্থা এবং আন্দোলনে হতাহত ও গ্রেফতারের ঘটনার বিচারসহ বিভিন্ন দাবি রয়েছে তাদের।

আশুলিয়ার একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত শ্রমিক মমতা বেগম বুধবার রাতে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মজুরি বোর্ড গঠনের পর সরকার মজুরি বাড়ানোর আশ্বাস দিলেও শ্রমিকদের সমস্যার সমাধান হয়নি। এ কারণে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘আজ বিভিন্ন কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আমাদের কারখানায় শ্রমিকদের গত রাতেও ১২টা পর্যন্ত ডিউটি করানো হয়েছে। এরপর আমরা শান্তিপূর্ণভাবে বেরিয়ে আসি।’

ভাঙচুর ও সহিংসতার বিষয়ে জানতে চাইলে মমতা বলেন, তারা কোনোধরনের ভাঙচুর বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাননি। ৩০ হাজার টাকা মজুরি নির্ধারণসহ শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে শুধু কারখানার সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন। পরে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় তাদের ওপর হামলা হয়। বিএনপির নেতা পরিচয়ে কয়েকজন দুই শ্রমিককে ধরে মারধর করেছেন। এ সময় পুলিশও কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। চারপাশ অন্ধকার হয়ে গেলে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।

মমতা আরও বলেন, শ্রমিকেরা আন্দোলনে না নামলেও চারপাশে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে তাদের মারধর করা হচ্ছে এবং বাসা থেকে ধরে পুলিশ নিয়ে যাচ্ছে। ‘শ্রমিকেরা কি সন্ত্রাসী হয়ে গেছেন?’—প্রশ্ন করেন তিনি। তার মতে, সরকার আন্তরিক হলে দ্রুতই এই সমস্যার সমাধান সম্ভব।

সাভারের একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত শ্রমিক জাহানারা বেগম বলেন, মজুরি বাস্তবায়নের জন্যই তারা আন্দোলন করছেন। মজুরি বোর্ড গঠন হলেও এখনও মজুরি কাঠামো ঘোষণা হয়নি। এ কারণেই দাবি জানাচ্ছেন তারা।

জাহানারা বলেন, শ্রমিকেরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছেন। কিন্তু কিছু রাজনৈতিক সংগঠন যুক্ত হয়ে সমস্যা তৈরি করছে এবং হামলা চালাচ্ছে। শ্রমিকেরা ভাঙচুর করেন না। তাদের সঙ্গে বহিরাগত কেউ যোগ দিয়ে হামলা করলে তা খুঁজে বের করার দায়িত্ব পুলিশের। সরকারেরও দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া উচিত, যাতে কেউ পরিস্থিতির সুযোগ নিতে না পারে।

ডিসেম্বরের মধ্যে কাঠামো ঘোষণা, জানুয়ারিতে বেতন

চলমান শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে বুধবার শ্রম মন্ত্রণালয়ে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তৈরি পোশাকশ্রমিকদের নতুন মজুরি কাঠামো আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে শ্রমিকদের বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) থেকে কাজে ফেরার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে কারখানার মালিকদের কারখানা খোলা রেখে উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করার অনুরোধ জানানো হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী। এতে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি, বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতা, বিরোধী দলের শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকপক্ষের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি, বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) সভাপতি, বিজিএমইএর সহসভাপতি ও পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরাও।

পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে অংশ নেওয়া সব পক্ষ নতুন মজুরি বোর্ডের কার্যক্রম দ্রুত শুরু হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে। বুধবার বোর্ডের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হওয়াকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হয়।

বৈঠক শেষে শ্রমিক, মালিক ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সম্মিলিত অবস্থান তুলে ধরে শ্রমিকদের কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি মালিকদের কারখানা খোলা রেখে উৎপাদন চালু রাখার অনুরোধ করা হয়। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রত্যাশা, শ্রমিকদের কাজে ফেরা এবং কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় চালুর মধ্য দিয়ে তৈরি পোশাকশিল্পে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে আসবে।

এর আগে বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের কার্যালয়ে তৈরি পোশাকশিল্পের জন্য গঠিত বোর্ডের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দ আজাদ সুবহানী জানান, আগামী সপ্তাহে দ্বিতীয় সভা হবে। সেখানে মালিক ও শ্রমিকপক্ষ নিজেদের মজুরি প্রস্তাব লিখিতভাবে জমা দেবে। নিরপেক্ষ সদস্যও একটি প্রস্তাব দেবেন। এসব প্রস্তাব পর্যালোচনা করে দ্রুত সুপারিশ চূড়ান্ত করার চেষ্টা করা হবে।

বোর্ডের শ্রমিক প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতার জানান, ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো নির্ধারণ এবং জানুয়ারি থেকে নতুন হারে বেতন দেওয়ার বিষয়ে মালিকপক্ষের প্রতিনিধির সঙ্গে ঐকমত্য হয়েছে।

মালিকপক্ষের প্রতিনিধি ও বিজিএমইএর পরিচালক এ বি এম সামছুদ্দিনও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মজুরি পুনর্নির্ধারণের কার্যক্রম শেষ করার বিষয়ে একমত হয়েছেন।

তবে নতুন মজুরির পরিমাণ কত হবে, তা এখনও নির্ধারিত হয়নি। ফলে শ্রমিকদের মূল দাবি কতটা পূরণ হবে, সে বিষয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবি

বর্তমানে তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মাসিক মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা। ২০২৩ সালের নভেম্বরে এ মজুরি ঘোষণা করা হয় এবং একই বছরের ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়। তখন আগের ৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। অর্থাৎ এক দফায় মজুরি বেড়েছিল ৫৬ দশমিক ২৫ শতাংশ।

তবে গত তিন বছরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও যাতায়াত ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বর্তমান মজুরিতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে বলে দাবি শ্রমিকদের। এ অবস্থায় ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবি জানিয়ে আসছেন তারা।

শ্রমিকদের যুক্তি, বর্তমান বাজারদরে ১২ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে নিজের ও পরিবারের ন্যূনতম প্রয়োজন মেটানো কঠিন। চাল, ডাল, তেল, সবজি, বাড়িভাড়া ও অন্যান্য খরচ মেটাতে গিয়ে মাসের মাঝামাঝি সময়েই বেতনের বড় অংশ শেষ হয়ে যায়। ফলে শুধু নতুন মজুরি কাঠামোর সময়সীমা ঘোষণা নয়, জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মজুরি নির্ধারণই তাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

মজুরির বাইরেও পাঁচ দফা দাবি

চলমান আন্দোলনে শ্রমিকদের দাবির পরিধি শুধু বেতন বৃদ্ধির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলের শ্রমিকদের পক্ষ থেকে পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ, সব পোশাক কারখানায় রেশনিং ব্যবস্থা চালু, ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার নিশ্চিত করা, শ্রমিক আমজাদ হোসেন কামালসহ নিহত শ্রমিকদের হত্যার বিচার এবং বিনা কারণে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ ও শ্রম আইন পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন।

মজুরি বোর্ডের মাধ্যমে নতুন বেতন কাঠামো নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির বিষয়ে এখনো সুস্পষ্ট সমাধান আসেনি। শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষের অন্যতম কারণ এটিও।

ফতুল্লায় তৃতীয় দিনেও সংঘর্ষ

এদিকে বুধবারও নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। মজুরি বৃদ্ধিসহ পাঁচ দফা দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো আন্দোলনে নামেন বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুতুবআইল কাঠেরপুল এলাকায় কয়েকটি কারখানার শ্রমিক সড়কে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে সোমবার ও মঙ্গলবার একই এলাকায় শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবারের সংঘর্ষে প্রায় ১০ পুলিশ সদস্য আহত হন এবং চার শ্রমিককে আটক করা হয়।

শ্রমিকদের অভিযোগ, তারা শান্তিপূর্ণভাবে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন করছিলেন। অন্যদিকে পুলিশ বলছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

রাজধানীর মিরপুর, গাজীপুর ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলেও কয়েক দিন ধরে শ্রমিক অসন্তোষ চলছে। কোথাও সড়ক অবরোধ, কোথাও কারখানার ভেতরে বিক্ষোভ, আবার কোথাও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। নিরাপত্তার কারণে বিভিন্ন কারখানায় ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে। এতে উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

আশ্বাসে কেন আস্থা ফিরছে না

মজুরি বোর্ড গঠন এবং ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন কাঠামো চূড়ান্ত করার ঘোষণা শ্রমিকদের জন্য ইতিবাচক হলেও তাৎক্ষণিকভাবে আন্দোলন থামছে না। এর প্রধান কারণ, নতুন মজুরির পরিমাণ এখনও অজানা। শ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকার দাবি এবং মালিকপক্ষের সামর্থ্য বিবেচনায় বোর্ড কী সুপারিশ করবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।

এ ছাড়া মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তের বাইরে থাকা অন্যান্য দাবির বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা বা সমাধানের ঘোষণা আসেনি। ফলে শুধু জানুয়ারি থেকে নতুন বেতন পাওয়ার আশ্বাসে শ্রমিকদের সব উদ্বেগ দূর হচ্ছে না।

অন্যদিকে শ্রমিক প্রতিনিধি বাবুল আখতার নতুন মজুরি নির্ধারণের উদ্যোগের পর শ্রমিকদের কাজে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, সব শ্রমিক সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি যৌক্তিক মজুরি প্রস্তাব তৈরি করে বোর্ডে উপস্থাপন করতে হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১০ এপ্রিল শ্রম আইন সংশোধনের মাধ্যমে নিম্নতম মজুরি পুনর্নির্ধারণের সময়সীমা পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে তিন বছর করা হয়েছে। সেই হিসাবে চলতি নভেম্বরেই পোশাকশিল্পের নতুন মজুরি নির্ধারণের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা ছিল।

এখন মজুরি বোর্ডের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রহণযোগ্য মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত করা এবং শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া। শ্রমিকদের কাছে শুধু জানুয়ারি থেকে নতুন বেতন পাওয়ার প্রতিশ্রুতি যথেষ্ট নয়; সেই বেতন দিয়ে জীবনযাত্রার ন্যূনতম ব্যয় মেটানো যাবে কি না, সেটিই তাদের মূল প্রত্যাশা।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html