ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ও পৌরসভা নির্বাচন শেষ হওয়ার পরই জেলা ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি বলেন, ইউপি ও পৌরসভার জনপ্রতিনিধিরাই উপজেলা পরিষদের সদস্য হওয়ায় এই দুটি নির্বাচন শেষ না করে উপজেলা নির্বাচন করার সুযোগ নেই।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ দফতরে বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
স্থানীয় সরকারের কোন নির্বাচন আগে হবে— এমন প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, ‘আমরা শুধু একটা ইলেকশন করতে পারি, ইউনিয়ন আর পৌরসভা। আর সিটি করপোরেশন কারও সঙ্গে জড়িত না। কিন্তু জেলা ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচন কখনও হবে না, যতক্ষণ না এই দুটা (ইউপি ও পৌরসভা) নির্বাচন শেষ হবে। কারণ এদের মেম্বার-চেয়ারম্যান ওখানে সদস্য। তাই শতভাগ নিশ্চিত থাকতে পারেন যে পৌরসভা এবং ইউনিয়ন করে তারপর উপজেলা করতে হবে।’
ভোটার তালিকা হালনাগাদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কর্মকর্তারা আমাদের একটি চার্ট দিয়েছেন, কোন কাজগুলো কখন করতে হবে। ভোটার তালিকায় কোন সময় পর্যন্ত নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্ত করা যাবে, সেটিও নির্ধারণ করা হয়েছে। আমরা তো ভোটার তালিকা আইন পরিবর্তন করেছি। এটা হয়তো এখনো প্রকাশ করা হয়নি, তবে কিছু বিষয় প্রকাশ করা হবে। ওই সময় পর্যন্ত যারা ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন, তারা আগামী নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগে সময়সীমা ছিল ৩০ জুন। পরে তারা বললো, একটু বাড়িয়ে দেন। এরপর আমরা সেটা ৩১ জুলাই পর্যন্ত করেছি। আলোচনার ভিত্তিতেই আমরা ৩১ জুলাই পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করেছি। এখন যদি অক্টোবরে ভোট করি, তাহলে পেছনে যেতে অসুবিধা নেই। যারা কাজ করবেন, তারা বলেছেন এটি সম্ভব। আমরা সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছি। এরপর কতগুলো নতুন ভোটকেন্দ্র প্রয়োজন হবে, সেটিরও একটি তালিকা করা হয়েছে।’