ঢাকাThursday , 17 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসা: যুক্তরাজ্যে মাত্র তিন বছরে স্থায়ী হওয়ার সুযোগ


August 7, 2026 9:50 pm
Link Copied!


বৃহৎ অভিবাসন সংস্কারে অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও জাগুয়ার ল্যান্ড রোভারের মতো ১০০টির বেশি প্রতিষ্ঠানকে শীর্ষ গবেষকদের স্পনসর করার অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার। এর মাধ্যমে যোগ্য গবেষকদের মাত্র তিন বছরে যুক্তরাজ্যের স্থায়ী বসবাস (ইন্ডিফিনিট লিভ টু রিমেইন-আইএলআর) লাভের পথ সুগম করা হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের দক্ষ অভিবাসন নীতিতে ঐতিহাসিক পরিবর্তন এনে সরকার গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসার এন্ডোর্সড ফান্ডার পথটিকে ১০০টির বেশি গবেষণা-নিবিড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে। ৬ আগস্ট ঘোষিত এই সংস্কার স্কিল্ড ওয়ার্কার ভিসা মডেল থেকে একেবারেই ভিন্ন। স্কিল্ড ওয়ার্কার ভিসায় যেখানে স্থায়ী বসবাসের জন্য পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে হয় এবং ভিসা নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আবদ্ধ থাকে, সেখানে গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসার অধীনে এন্ডোর্সপ্রাপ্ত গবেষকরা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন, পরামর্শক কাজ বা স্পিন-আউট কোম্পানি শুরু করার পূর্ণ স্বাধীনতা পাবেন।

সরকারের প্রস্তাবিত আর্ন্ড সেটেলমেন্ট সংস্কারে বেশিরভাগ ভিসার ক্ষেত্রে বসবাসের সময়সীমা ১০ বছর করা হলেও গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসাধারীরা তিন বছরের দ্রুততর পথটি ধরে রাখবেন। এমনকি স্কিল্ড ওয়ার্কার ভিসায় কাটানো সময়ও এতে গণনা করা হবে, যদি আবেদনের সময় গ্লোবাল ট্যালেন্ট স্ট্যাটাস থাকে।

নিয়ম অনুযায়ী যেকোনও ১২ মাসের মধ্যে ১৮০ দিনের বেশি যুক্তরাজ্যের বাইরে থাকা যাবে না; তবে ইউকেআরআই বা দ্য রয়্যাল সোসাইটি কর্তৃক এন্ডোর্সপ্রাপ্তদের জন্য গবেষণাজনিত কারণে বিদেশে অবস্থান এই সীমার মধ্যে ধরা হবে না।

নেতৃত্বে যেসব প্রতিষ্ঠান

নতুন সম্প্রসারণের মাধ্যমে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯১টিতে, যা এনএইচএস ট্রাস্ট, জাতীয় জাদুঘর এবং বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠানসহ ১০টি খাত জুড়ে বিস্তৃত। অনুমোদিত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও জাগুয়ার ল্যান্ড রোভার। এছাড়া রয়েছে অ্যাডেড ভ্যালু সলিউশনস, ডেনরয় প্লাস্টিকস, ফিল্ম সিমরু, রিভারলেন ও ইনফিটোপস। জীবন বিজ্ঞান ও বায়োটেক খাতে রয়েছে জিএসকে, ব্রিস্টল মায়ার্স স্কুইব, ইমিউনোকোর, জিনোমিকস ইংল্যান্ড ও ওয়েলকাম ট্রাস্ট স্যাঙ্গার ইনস্টিটিউট। ডিপ টেক ও কোয়ান্টাম খাতে রয়েছে রিভারলেন, নু কোয়ান্টাম, কোয়ান্টিনাম, অক্সফোর্ড কোয়ান্টাম সার্কিটস, আইবিএম ও আর্ম।

অন্যদিকে অ্যাডভান্সড ম্যানুফ্যাকচারিং খাতে জিকেএন অ্যারোস্পেস, লিওনার্দো ইউকে ও ম্যাকলারেন প্লাস্টিকস এবং ক্লিন এনার্জি খাতে ইউকে অ্যাটমিক এনার্জি অথরিটি, দ্য ফ্যারাডে ইনস্টিটিউশন ও ন্যাশনাল নিউক্লিয়ার ল্যাবরেটরি এতে যুক্ত হয়েছে।

এসব প্রতিষ্ঠান সরকারের আধুনিক শিল্প কৌশলের আটটি উচ্চ-বৃদ্ধি খাতকে প্রতিনিধিত্ব করছে। যার মধ্যে উন্নত উৎপাদন, ডিজিটাল ও প্রযুক্তি, পরিচ্ছন্ন শক্তি, জীবন বিজ্ঞান এবং সৃজনশীল শিল্প অন্তর্ভুক্ত।

সরকার ফিউচার টেকনোলজি রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন স্কিমকে আরও বিস্তৃত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা এআই, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও ইঞ্জিনিয়ারিং বায়োলজির মতো অগ্রাধিকার প্রযুক্তির কোম্পানিগুলোকে দুই বছরের জন্য আন্তর্জাতিক গবেষক আয়োজনের সুযোগ দেবে।

ইতোমধ্যে ৫৪ মিলিয়ন পাউন্ডের গ্লোবাল ট্যালেন্ট ফান্ড ১৮ জন শীর্ষ গবেষককে যুক্তরাজ্যে নিয়ে এসেছে এবং গ্লোবাল ট্যালেন্ট টাস্কফোর্স আন্তর্জাতিক প্রতিভাদের আকর্ষণে বিশেষ সহায়তা দিচ্ছে।

বাণিজ্য সচিব জোনাথন রেনল্ডস সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাজ্য ইতোমধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে মেধাবীদের জন্য চুম্বকের মতো আকর্ষণীয় এবং তারা এখানে যে আবিষ্কার করেন তা জীবন বদলে দেয় এবং আমাদের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে। গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসা ১০০টির বেশি ব্যবসায় সম্প্রসারণের মাধ্যমে আমরা আমাদের সবচেয়ে উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য যোগ্য গবেষক নিয়োগকে আগের চেয়ে আরও সহজ করে তুলছি।

ইউকেআরআই-এর ইন্টারন্যাশনাল, ট্যালেন্ট অ্যান্ড স্কিলস চ্যাম্পিয়ন অধ্যাপক ক্রিস্টোফার স্মিথ যোগ করেন যে এই সম্প্রসারণ দেশের আরও বেশি অংশে এবং ওষুধ ও এআই থেকে শুরু করে সৃজনশীল ও সাংস্কৃতিক অর্থনীতি পর্যন্ত বিভিন্ন খাতে সুবিধা পৌঁছে দেবে।

ব্রিটিশ ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের অলিভার বাকলি-মেলর এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তার মতে, আরও বেশি অসাধারণ বৈশ্বিক প্রতিভাকে যুক্তরাজ্যে আসতে সক্ষম করার জন্য এটিকে আরও এগিয়ে নেওয়া উচিত।

ইউকেকোয়ান্টামের জোনাথন লেগ-স্মিথ মন্তব্য করেছেন যে বিশ্বমানের আন্তর্জাতিক প্রতিভা আকর্ষণ কোয়ান্টামে যুক্তরাজ্যের গতি ধরে রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রিভারলেনের সিইও ও প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ ব্রিয়ারলি সাংবাদিকদের বলেন, গ্লোবাল ট্যালেন্ট ভিসা আমাদের সেরা মানুষদের যুক্তরাজ্যে আনার জন্য একটি দ্রুত ও নমনীয় পথ দেয় এবং ক্ষেত্রটি যত দ্রুত এগোচ্ছে, এই গতি ততই গুরুত্বপূর্ণ।

এ ব্যাপারে ব্যারিস্টার সালাহ উদ্দীন সুমন বলেন, ইতোমধ্যে ১৩০টির বেশি দেশের ১২ হাজার ৫০০ জন প্রতিভাবান ব্যক্তি এন্ডোর্সড ফান্ডার পথের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে গবেষণা ক্যারিয়ার গড়েছেন। এই সম্প্রসারণ যুক্তরাজ্যের বৈশ্বিক গবেষণা প্রতিভা আকর্ষণের প্রতিশ্রুতিকে আরও সুদৃঢ় করছে। যুক্তরাজ্যের কথা বিবেচনা করা পেশাজীবীদের জন্য বার্তাটি স্পষ্ট, স্থায়ী বসবাসের পথ আগের চেয়ে আরও সহজ হয়েছে, যদি তারা তাদের ক্যারিয়ারকে নতুন অনুমোদিত বাণিজ্যিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সামঞ্জস্য করেন।

 





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html