ঢাকাThursday , 17 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আলাউদ্দীন আলী স্মরণে কুমার বিশ্বজিৎ


August 9, 2026 5:40 pm
Link Copied!


‘যখন মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়াবে, তখন ভাববে তুমিই সেরা। আর যদি চিটাগং চলে যাও, তাহলে তুমি শেষ’—ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে কিংবদন্তি সুরকার ও সংগীত পরিচালক আলাউদ্দীন আলীর কাছ থেকে পাওয়া এই কথাগুলো আজও মনে রেখেছেন সংগীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিৎ। সঙ্গে মনে আছে একটি চড়ও। যে চড়ের মধ্যে ছিল স্নেহ, শাসন আর সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস।

আলাউদ্দীন আলীর চলে যাওয়ার ছয় বছর পূর্ণ হয়েছে আজ শনিবার (৯ আগস্ট)। ২০২০ সালের এই দিনে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলা গানের এই কিংবদন্তি সুরকার। তার মৃত্যুবার্ষিকীতে ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের সেই স্মৃতি ফিরে দেখেছেন কুমার বিশ্বজিৎ।

সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে আবেগঘন সেই স্মৃতি তুলে ধরেন এই সংগীতশিল্পী। কুমার বিশ্বজিৎ লিখেছেন, ‘কিছু স্মৃতি জীবনে অম্লান হয়ে রয়। সালটা ১৯৮২! জীবনের প্রথম সিনেমার গান গাই “ইন্সপেক্টর” সিনেমায়।’ গানটির সুর করেছিলেন আলাউদ্দীন আলী।

জীবনের প্রথম সিনেমার গান গাওয়ার সেই সময়ের কথা স্মরণ করে কুমার বিশ্বজিৎ জানান, শ্রুতি স্টুডিওতে মহরত অনুষ্ঠানে সংগীতভুবনের সব রথী-মহারথীদের দেখে তিনি ভয় পেয়ে স্টুডিও থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন। বিষয়টি বুঝতে পেরে আলাউদ্দীন আলী তাঁর পেছন পেছন আসেন। জিজ্ঞেস করলে কুমার বিশ্বজিৎ তাকে বলেছিলেন, ‘আর গান গাইবো না! চিটাগং চলে যাবো।’

এরপরই ঘটে সেই ঘটনা, যা কুমার বিশ্বজিতের জীবনের অম্লান স্মৃতি হয়ে আছে। আলাউদ্দীন আলী সঙ্গে সঙ্গে তার গালে একটি চড় বসিয়ে দেন। তবে সেই চড়ের সঙ্গে ছিল সাহস জোগানোর কথা—‘যখন মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়াবে, তখন ভাববে তুমিই সেরা। আর যদি চিটাগং চলে যাও, তাহলে তুমি শেষ।’

সেই স্মৃতি মনে করে কুমার বিশ্বজিৎ লিখেছেন, ‘ওনার মতো একজন সঙ্গীতের মহাজনের আশীর্বাদের ছোয়া পাওয়া যে কারো জন্যই বড় প্রাপ্তি!’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘তবে এটা শাশ্বত সত্য, ওইদিন সন্তানতুল্য স্নেহ দানকারী আলাউদ্দীন আলী ভাই সে চড় এবং উৎসাহ না দিলে ঢাকায় থাকার সাহসটা পেতাম না।’

আলাউদ্দীন আলীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কুমার বিশ্বজিৎ লিখেছেন, ‘জীবনের প্রতিটি ধাপে আপনাকে মিস করি আলী ভাই। জানি এখনো আপনার আশীর্বাদ আমার মাথার ওপর আছে, থাকবে আমৃত্যু।’

বাংলা গানের এই কিংবদন্তি সুরকার ২০২০ সালের ৯ আগস্ট মারা যান। এর আগে ২০১৫ সালের জুনে তার শরীরে ক্যানসার ধরা পড়ে। এরপর কয়েক দফায় বিদেশেও চিকিৎসা নেন তিনি। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ২০২০ সালের ৮ আগস্ট ভোরে তাকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল তাকে। পরদিন তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।

আলাউদ্দীন আলী ছিলেন বাংলাদেশের বরেণ্য সুরকার, সংগীত পরিচালক ও গীতিকার। এ পর্যন্ত আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। এর মধ্যে ১৯৭৮ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত টানা তিনবার পুরস্কৃত হয়ে সংগীত পরিচালক হিসেবে রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। সেই রেকর্ড আজও কেউ ভাঙতে পারেনি।

১৯৭৫ সাল থেকে সংগীত পরিচালনা করে প্রশংসিত হন আলাউদ্দীন আলী। ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘সুন্দরী’, ‘কসাই’ এবং ‘যোগাযোগ’ চলচ্চিত্রের জন্য ১৯৮৮ সালে শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন তিনি। এছাড়া ১৯৮৫ সালে শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবেও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান।

খ্যাতিমান পরিচালক গৌতম ঘোষ পরিচালিত ‘পদ্মা নদীর মাঝি’ চলচ্চিত্রেও সংগীত পরিচালনা করেছেন আলাউদ্দীন আলী। তার সুর করা গানের সংখ্যা ৫ হাজারেরও বেশি।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html