ঢাকাMonday , 14 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যে নারীকে হত্যার অভিযোগে মামলা হয়েছে, তাকে জীবিত উদ্ধার করেছে পিবিআই


August 28, 2026 7:35 pm
Link Copied!


খুলনার দাকোপ থেকে এক নারীকে অপহরণ ও এরপর হত্যা করা হয়েছে দাবি করে মামলা করেন তার মা। তবে দেড় মাস পর ওই নারীকে ঢাকা থেকে জীবিত উদ্ধার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গত ১১ জুলাই তিনি অপহরণের শিকার হন বলে দাবি করা হয়। ৩ আগস্ট এ ঘটনায় মামলা হয়। তদন্তের পর বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ঢাকা থেকে ওই নারীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।

গত ৩ আগস্ট খুলনা জেলার কয়রা থানাধীন নাকশা সাকিনের আয়েশা খাতুনকে (৩৬) তার স্বামী ইসলাম সরদারসহ তিন জন অপহরণের পর হত্যা করে লাশ গুম করেছে বলে ভুক্তভোগীর মা আমেনা খাতুন (৪৯) খুলনা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, আমলি আদালতে বাদী হয়ে মামলা করেন।

মামলায় বাদী উল্লেখ করেন, ভিকটিমের স্বামী ইসলাম সরদারসহ অন্য আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে ১১ জুলাই ভুক্তভোগীকে কয়রা থানাধীন মসজিদকুড় ব্রিজের ওপর থেকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। এরপর পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। টাকা না পেয়ে আসামিরা ভুক্তভোগীকে হত্যা করে লাশ গুম করেছে বলে আশঙ্কা করে বাদী ৩ আগস্ট মামলাটি করেন।

পরে আদালত সিআর মামলাটি পিবিআই, খুলনা জেলাকে তদন্তের নির্দেশ প্রদান করেন। পিবিআই খুলনা জেলার ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন মামলাটির তদন্তভার এসআই (নিরস্ত্র) এস এম রাজীব রায়হানকে দেন।

পিবিআই তথ্য-প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আয়েশা খাতুনের অবস্থান শনাক্ত করে এবং জানতে পারে তিনি ঢাকায় অবস্থান করছেন। পরে তদন্ত কর্মকর্তাসহ পিবিআইয়ের একটি দল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় ভুক্তভোগীকে ঢাকা থেকে উদ্ধার করে। তার জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালতে উপস্থাপন করলে তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।

পিবিআইয়ের তদন্ত ও ভুক্তভোগীর জবানবন্দি থেকে জানা গেছে, আয়েশা খাতুনের সঙ্গে ইসলাম সরদারের ১২ বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই আসামি ইসলাম সরদারের সঙ্গে ভুক্তভোগীর সাংসারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়। ফলে স্বামীর সঙ্গে সংসার করবেন না বলে পরিবারকে জানায়। কিন্তু বাবা-মা তাকে আবার বুঝিয়ে জোর করে স্বামীর বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এ কারণে প্রায় দেড় মাস আগে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে ভুক্তভোগী স্বেচ্ছায় ঢাকায় গিয়ে আত্মগোপন করেন। এই সময় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে আদালতে এই সিআর মামলা করেন। পরে তদন্ত সংস্থা ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে পিবিআই, খুলনার পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন বলেন, অপহরণসহ খুনের মামলায় ভুক্তভোগীকে দ্রুততার সঙ্গে জীবিত উদ্ধার করায় পিবিআই’র প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html