জয়ে ফিরেছে রিয়াল মাদ্রিদ। এবার সামনে এমন এক প্রতিপক্ষ, যাদের বিপক্ষে ৪৮ বছর ধরে হারেনি তারা। মঙ্গলবার রাতে এস্তাদিও মার্তিনেস ভালেরোয় এলচের মুখোমুখি হয়ে টানা তৃতীয় জয় তুলে লা লিগায় বার্সেলোনার সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান কমাতে চায় লস ব্লাঙ্কোস।
মঙ্গলবারের ম্যাচে রিয়াল মাদ্রিদের লক্ষ্য সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা তৃতীয় জয়। লা লিগায় বর্তমানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তারা। অন্যদিকে স্বাগতিক এলচে ধুঁকছে অবনমন অঞ্চলে।
হোসে মরিনহোর দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর লা লিগায় পাঁচ ম্যাচের চারটিতে জিতেছে রিয়াল মাদ্রিদ। শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার চেয়ে বর্তমানে তিন পয়েন্ট পিছিয়ে তারা।
টানা তিন লিগ ম্যাচে ১০ গোল করার পর হঠাতই গোলখরায় পড়ে রিয়াল। রিয়াল বেতিসের মাঠে ১-০ গোলে হতাশাজনক হারের সেই ম্যাচে কার্লোস এসপির একটি গোল বাতিল হয়, আর কিলিয়ান এমবাপ্পের পেনাল্টি রুখে দেন গোলরক্ষক। দ্রুতই অবশ্য ঘুরে দাঁড়ায় ইউরোপের রেকর্ড ১৫ বারের চ্যাম্পিয়নরা। মরিনহোর সাবেক ক্লাব ইন্টার মিলানকে ২-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ১৬তম শিরোপা জয়ের মিশনও শুরু করেছে ইতিবাচকভাবে।
এরপর লা লিগায় ফিরে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে রায়ো ভায়েকানোকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে। এমবাপ্পে জোড়া গোল করেছেন, অন্য দুটি গোল করেছেন আলভারো কারেরাস ও জুড বেলিংহাম।
এই দাপুটে জয় নিয়ে টানা তৃতীয় হোম লিগ ম্যাচে চারটি করে গোল করেছে রিয়াল। তবে অ্যাওয়ে ম্যাচে চিত্রটা ভিন্ন। প্রথম দুই ম্যাচে তারা করেছে মোটে দুটি গোল।
পাঁচ ম্যাচে ১৩ গোল হজম করা এলচের বিপক্ষে রিয়ালের আক্রমণভাগের সামনে তাই সুযোগের কমতি থাকার কথা নয়। বার্সেলোনা বুধবার রেসিংয়ের বিপক্ষে মাঠে নামবে। তার আগে এলচেকে হারিয়ে পয়েন্টে বার্সার সমান হতে চাইবে তারা।
গতবার এলচের মাঠে গিয়ে ২-২ গোলে ড্র করেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। তবে এস্তাদিও মার্তিনেস ভালেরোয় তাদের সাম্প্রতিক রেকর্ড বেশ শক্তিশালী। ১৯৭৮ সালের মার্চে ৩-১ গোলে হারের পর এলচের মাঠে শেষ আট সফরের ছয়টিতেই জয় পেয়েছে লস ব্লাঙ্কোস। এবার এলচের সামনে ৪৮ বছরের কঠিন চ্যালেঞ্জ ভাঙার মিশন।