ঢাকাThursday , 17 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নতুন করে তৈরি হচ্ছে ১৪৯৮ পর্যটনকেন্দ্র, গুরুত্ব পাবে বেসরকারি বিনিয়োগ


September 17, 2026 8:50 pm
Link Copied!


পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে নতুন করে টুরিজম মাস্টার প্ল্যান নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, এ পরিকল্পনার আওতায় বিভিন্ন শ্রেণির প্রায় ১৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ ও গন্তব্য কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। 

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় ঢাকার বসুন্ধারা কনভেনশন সিটিতে ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

তিন দিনব্যাপী আয়োজিত এ মেলায় ১০টি দেশের ২০০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা অংশগ্রহণ করেছে এবং প্রায় ৩০০টি স্টলের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের পর্যটন গন্তব্য, পর্যটনপণ্য, সেবা ও বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরা হচ্ছে।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বৈচিত্র্যময় পর্যটন সম্ভাবনার এক দেশ। আমাদের ভূখণ্ডে রয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন; বিশ্বের দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার; চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের পাহাড়, ঝরনা ও হ্রদ; আর রয়েছে আমাদের মানুষের আন্তরিকতা, উষ্ণ আতিথেয়তা ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতি। বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা কেবল কয়েকটি সুপরিচিত গন্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। দেশের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলেই রয়েছে নিজস্ব ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, প্রকৃতি ও মানুষের গল্প। আমাদের এখনকার লক্ষ্য হলো—এই বিচ্ছিন্ন ও বৈচিত্র্যময় সম্ভাবনাগুলোকে একটি সুপরিকল্পিত, টেকসই এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক পর্যটনশিল্পে রূপান্তর করা।

মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের সরকার এমন একটি অর্থনীতি উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে, যেখানে দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও বিভিন্ন খাতে শৃঙ্খলার ঘাটতি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। গত দুই দশকে পর্যটন খাতে কাঙ্ক্ষিত ও দৃশ্যমান উন্নয়ন উদ্যোগের ঘাটতি ছিল। আমরা সেই বাস্তবতা থেকেই আমাদের যাত্রা শুরু করেছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সুষম আঞ্চলিক উন্নয়নের বৃহত্তর কর্মসূচির অংশ হিসেবে পর্যটন খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। আমরা শূন্য থেকে শুরু করছি—কিন্তু আশাবাদ নিয়ে শুরু করছি। আমাদের মূলমন্ত্র হলো—আগামীকাল নয়, শুরু হোক এখনই।
 
বর্তমান সরকারের গৃহীত উদ্যোগ নিয়ে উপস্থিত অংশীজনদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আমরা একটি টুরিজম মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে কাজ করছি, যেখানে বিভিন্ন শ্রেণির প্রায় ১৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণ ও গন্তব্য কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের পর্যটন সম্পদকে একটি সমন্বিত পরিকল্পনার আওতায় এনে পর্যায়ক্রমে উন্নয়ন করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে আমরা কক্সবাজারকে একটি আঞ্চলিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছি। বিশ্বের দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্রসৈকতকে ঘিরে কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন অবকাঠামো, সেবা, বিনোদন ও বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। আমাদের নতুন পর্যটন নীতিমালায় বেসরকারি বিনিয়োগ এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি)-এর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো, দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে পর্যটন খাতের অবদান ৮ থেকে ৯ শতাংশে উন্নীত করা। এই লক্ষ্য অর্জনে প্রয়োজন সুপরিকল্পিত বিনিয়োগ, দক্ষ মানবসম্পদ, আধুনিক অবকাঠামো, উন্নত সেবা, কার্যকর বিপণন এবং আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন ব্যবস্থাপনা। সরকারি ও বেসরকারি খাতের সম্মিলিত অঙ্গীকার ছাড়া কোনও দেশের পর্যটনশিল্প টেকসইভাবে বিকশিত হতে পারে না। তাই আসুন, আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করি এবং বাংলাদেশের পর্যটন খাতকে বৈশ্বিক বাজারে আরও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাই।

অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন দেশের সংস্থাসমূহের স্টল পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইজার সোহেল আহমেদ, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী, এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন হেলালসহ নেপাল এবং ফিলিপাইন, মালদ্বীপ ও শ্রীলংকার রাষ্ট্রদূত।  





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html