মেটলাইফ স্টেডিয়ামের ৮২ হাজার দর্শক এখনও রোমাঞ্চে কাঁপছেন। প্রথমার্ধেই দুটি দুর্দান্ত গোল, একটি অবিশ্বাস্য সেভ, আর একটি হলুদ কার্ড— গ্রুপ ‘সি’-র এই হাইভোল্টেজ ক্লাশ বিরতিতে গেছে ১-১ সমতায়।
শুরুতেই মরক্কোর দাপট, ১৭ মিনিটে সাইবারির গোল
কিক-অফ থেকেই ব্রাজিলকে চেপে ধরলো মরক্কো। ৭ মিনিটে এল আইনাউইর জোরালো শট ডান পা বাড়িয়ে ক্লিয়ার করলেন ব্রুনো গুইমারেস। ব্রাজিল ১৩ মিনিটে প্রথম আক্রমণ গড়লো, কিন্তু কেউ লক্ষ্যে শট নিতে পারলেন না।
১৭ মিনিটে মরক্কো এগিয়ে গেলো। মধ্যমাঠ থেকে ব্রাহিম দিয়াজের অসাধারণ থ্রু বল পেলেন সাইবারি। আলিসন বেকার লাইন ছেড়ে এগিয়ে এলেন, কিন্তু সাইবারি ঠান্ডা মাথায় তাকে লব করে বল জালে পাঠালেন। কাউন্টার অ্যাটাকিং ফুটবলের পাঠ্যবইয়ের গোল। ব্রাজিল শিবিরে হতাশা।
ভিনিসিয়ুসের ৫০তম ক্যাপে ঐতিহাসিক গোল
৩২ মিনিটে জবাব দিলো ব্রাজিল। রাফিনহার সাথে ওয়ান-টু খেলে বক্সের বাঁ দিকে একা পেলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। ভেতরে কেটে এসে অসাধারণ এক কার্লড শট মারলেন টপ কর্নারে, ব্যুনো হাত বাড়িয়েও ছুঁতে পারলেন না। এটি রিয়াল মাদ্রিদ তারকার ব্রাজিলের হয়ে ৫০তম ক্যাপের ম্যাচ, আর এই উপলক্ষটাকে অবিস্মরণীয় করে দিলেন তিনি। নিউজার্সিতে সবুজ-হলুদের উচ্ছ্বাস।
পাকেতার সিজার কিক, ব্যুনোর অসাধারণ সেভ
৩৭ মিনিটে ক্যাসেমিরো হলুদ কার্ড পেলেন, দ্বিতীয়ার্ধে তার ওপর চাপ থাকবে।
৪৫+১ মিনিটে ব্যবধান বাড়াতে পারতো ব্রাজিল। ডগলাস সান্তোসের ক্রস থেকে পাকেতা অ্যাক্রোবেটিক সিজার কিকে শট নিলেন, ব্যুনো অসাধারণ সেভ করে কর্নারে পাঠালেন। সেই কর্নার থেকেও কিছু হলো না।
বিরতিতে দুই দল ফিরলো ১-১ সমতা নিয়ে। মরক্কোর এক্সপেক্টেড গোল (১.২২) ব্রাজিলের (০.৮৫) চেয়ে বেশি। পরিসংখ্যান বলছে আটলাস লায়ন্সই এগিয়ে আছে সুযোগ তৈরিতে। তবে ভিনিসিয়ুসের পায়ে যতক্ষণ বল আছে, ব্রাজিল বিপজ্জনক।
দ্বিতীয়ার্ধে কে জ্বলবে— রিয়াল মাদ্রিদের তারকা, নাকি আটলাস লায়ন্সের সিংহরা?