ঢাকাSunday , 14 June 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা

ভিনিসিয়ুস জাদুতে ব্রাজিলের ৮৮ বছরের রেকর্ড রক্ষা পেলো কোনোমতে


June 14, 2026 7:45 am
Link Copied!


ব্রাজিলীয় ফুটবলের সেই চেনা ছন্দ, সেই চিরচেনা আধিপত্য যেন কোথায় হারিয়ে গিয়েছিল ম্যাচের ৯০ মিনিটে। তবে মাঠের পারফরম্যান্স যেমনই হোক, ইতিহাস শেষ পর্যন্ত ব্রাজিলের পক্ষেই কথা বললো। কোনোমতে, সুতোয় ঝুলে টিকে রইলো ব্রাজিলের ৮৮ বছরের এক অনন্য রেকর্ড। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে প্রত্যাশিত জয় না এলেও, ১৯৩৮ সালের পর থেকে বিশ্বকাপের নিজেদের প্রথম ম্যাচে অপরাজিত থাকার গৌরবময় রেকর্ডটি হাতছাড়া হতে দেয়নি সেলেসাওরা।

ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একক নৈপুণ্য আর জাদুকরী পারফরম্যান্সে চরম বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পেলো সেলেসাওরা। মরক্কোর সঙ্গে ১-০ গোলে পিছিয়ে থেকে ম্যাচের ৩২ মিনিটে সমতায় ফেরে ব্রাজিল। রাফিনহার সঙ্গে চমৎকার এক ওয়ান-টু খেলে প্রতিপক্ষের বক্সের বাঁ দিকে ফাঁকায় বল পেয়ে যান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। সেখান থেকে চোখের পলকে ভেতরে কেটে এসে অসাধারণ এক কার্লড শট মারলেন গোলপোস্টের টপ কর্নারে, প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক ব্যুনো সর্বশক্তি দিয়ে হাত বাড়িয়েও সেই বলের নাগাল ছুঁতে পারলেন না। 

এটি রিয়াল মাদ্রিদ তারকার ব্রাজিলের হয়ে ৫০তম ক্যাপের ম্যাচ, আর নিজের এই বিশেষ মাইলফলকের উপলক্ষটাকে দৃষ্টিনন্দন এক গোলে অবিস্মরণীয় করে দিলেন তিনি। ভিনির এই জাদুকরী গোলের পর নিউজার্সির গ্যালারিজুড়ে আছড়ে পড়ে সবুজ-হলুদের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। 

বিশ্বকাপের দীর্ঘ ইতিহাসে এই নিয়ে মাত্র চতুর্থবার এমন ঘটলো, যখন ব্রাজিল তাদের উদ্বোধনী ম্যাচে পূর্ণ ৩ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারলো না। গত ৮৮ বছরে উদ্বোধনী ম্যাচে ব্রাজিলের পয়েন্ট হারানোর রেকর্ড এতটাই বিরল যে, এই ড্র ফুটবল বিশ্বে বেশ বড়সড় এক চমক হিসেবেই এসেছে।

তবে সান্ত্বনা একটাই— রেকর্ড বুক বলছে, ১৯৩৮ সালের পর থেকে আজ পর্যন্ত বিশ্বকাপের নিজেদের প্রথম ম্যাচে কখনও হারেনি ব্রাজিল। রবিবারের এই শ্বাসরুদ্ধকর ড্র সেই অপরাজেয় থাকার ধারাকে অন্তত বাঁচিয়ে রাখলো। হার এড়ানো গেলেও, মাঠের খেলায় ব্রাজিলের এমন বিবর্ণ রূপ সমর্থকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ বাড়িয়ে দিয়েছে। 

ম্যাচজুড়ে ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে ফুটে উঠেছিল তাদের আক্রমণভাগের ব্যর্থতা। নেইমারের অনুপস্থিতি যে দলের ফরোয়ার্ড লাইনে কতটা শূন্যতা তৈরি করেছে, তা মাঠের প্রতিটি আক্রমণেই স্পষ্ট ছিল। মাঝমাঠ থেকে বলের জোগান আসলেও, ডি-বক্সে তা ফিনিশ করার মতো একজন যোগ্য নেতার অভাব তীব্রভাবে অনুভূত হয়েছে। তারুণ্যনির্ভর আক্রমণভাগ প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ফাটল ধরাতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়। 

রেকর্ড টিকে থাকলেও ব্রাজিলের ডাগআউটে বসা কার্লো আনচেলোত্তির জন্য স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার সুযোগ একদমই নেই। 

গ্রুপ পর্বের পরবর্তী ম্যাচগুলোতে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ হাইতি ও স্কটল্যান্ড। আপাতদৃষ্টিতে কাগজে-কলমে এই দলগুলোকে সহজ মনে হলেও, কোনও ম্যাচকেই হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। 





Source link

🔴 LIVE html