ঢাকাMonday , 2 November 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্পিনের ফাঁদ পাততে গিয়ে নিজেরাই ফাঁসলো বাংলাদেশ?


November 2, 2026 9:50 am
Link Copied!


ওয়েস্ট ইন্ডিজকে স্পিনের ফাঁদে ফেলার পরিকল্পনা ছিল বাংলাদেশের। সেই লক্ষ্যে মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তৈরি করা হয়েছিল স্পিন-সহায়ক উইকেট। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই কৌশল কাজে আসেনি। বরং স্বাগতিকদের আট উইকেটে হারিয়ে প্রথম টেস্টে জয় তুলে নিয়েছে ক্যারিবীয়রা। তাই প্রশ্ন উঠেছে, স্পিন উইকেট বানিয়ে কি উল্টো বাংলাদেশকে মাশুল দিতে হলো?

আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে স্পিন দিয়ে ঘায়েল করার পরিকল্পনা করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। বাংলাদেশের চেয়ে প্রতিপক্ষের স্পিনাররাই বেশি কার্যকর ছিলেন।

টেস্টজুড়েই দাপট দেখিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনাররা। বাঁহাতি স্পিনার জোমেল ওয়ারিক্যান দুই ইনিংস মিলিয়ে নিয়েছেন ৯ উইকেট। প্রথম ইনিংসেই পেয়েছেন পাঁচ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে অধিনায়ক রোস্টন চেজ অফ স্পিনে পাঁচ উইকেট নিয়ে জয়ের ভিত গড়ে দেন। পরে ব্যাটাররা সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছে যান।

অথচ দুই দলের স্পিনারদের বোলিংয়ের ধরন ছিল ভিন্ন। সবচেয়ে বিস্ময়কর তথ্য হলো, বাংলাদেশের স্পিনারদের চেয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনাররাই বল বেশি ঘোরাতে পেরেছেন। ক্যারিবীয় স্পিনারদের গড় টার্ন ছিল ৩.৫ ডিগ্রি, বাংলাদেশের স্পিনারদের ৩ ডিগ্রি।

তাতে শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয়বার এমন ঘটনা ঘটেছে, যখন কোনও টেস্টের তৃতীয় বা চতুর্থ ইনিংসে অন্তত ২৫ ওভার বোলিং করেও উইকেট পাননি বাংলাদেশের স্পিনাররা। পুরো ম্যাচে বাংলাদেশের স্পিনাররা নিয়েছেন মাত্র ৮ উইকেট। বিপরীতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনারদের শিকার ১৬ উইকেট। যেখানে ওয়ারিক্যান ও চেজ দুজনই পাঁচ উইকেটের দেখা পেয়েছেন।

ম্যাচে ১১৬ রানে ৯ উইকেট নিয়ে সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন ওয়ারিক্যান। অথচ ম্যাচের পর বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত জানান, তার মতে বোলিংয়ের মানের চেয়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং ব্যর্থতাই ওয়ারিক্যানের সাফল্যে বড় ভূমিকা রেখেছে।

শান্ত বলেন, ‘সত্যি বলতে, কাউকে ছোট করার চেষ্টা করছি না। তবে আমার মনে হয়েছে তার বোলিংয়ের মানের চেয়ে আমাদের বাজে ব্যাটিংই বেশি ভূমিকা রেখেছে। কাউকে অসম্মান করার উদ্দেশ্য নেই, কিন্তু আমার বিশ্বাস, আমরা তাঁকে আরও ভালোভাবে খেলতে পারতাম।’

উইকেটের চরিত্র নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। সাম্প্রতিক সময়ে মিরপুরের পিচে পেসারদের জন্যও যথেষ্ট সহায়তা দেখা গেছে। কিন্তু এই সিরিজের প্রথম টেস্টে ব্যবহৃত উইকেটটি ছিল স্পিনারদের জন্য বেশি সহায়ক। শান্ত জানিয়েছেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনে দুর্বলতার বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই কন্ডিশন তৈরি করা হয়েছিল।

ম্যাচের পর বাংলাদেশ অধিনায়কের ভাষ্য ছিল, ‘প্রতিপক্ষের শক্তি এবং তাদের দুর্বলতা বিবেচনা করেই কন্ডিশন তৈরি করা হয়েছিল। প্রথম দুই দিনের উইকেট দেখলে মনে হবে, সেটি আসলে বেশ ভালো ছিল। ভালো শুরুর পরও আমরা যেভাবে ব্যাটিং করার কথা ছিল, করতে পারিনি। বিশেষ করে শুরুর পর আমরা ভালো ব্যাটিং করতে ব্যর্থ হয়েছি।’

ব্যাটিংয়ের দোষ না হয় দেওয়া গেলো কিন্তু বাংলাদেশের স্পিন বোলিংয়ের অন্যতম অস্ত্র তাইজুলের পড়তি ফর্ম নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। চার টেস্টে মাত্র পাঁচ উইকেট পেয়েছেন তাইজুল ইসলাম। যার দুটি তিনি খেলেছেন অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে। আর স্পিন সহায়ক হওয়ার পরও সর্বশেষ মিরপুর টেস্টে ৩৮.১ ওভার বোলিং করে তাইজুলের শিকার ছিল ২ উইকেট। বিনিময়ে খরচ করেছেন ১৩০ রান। 

তাই বাংলাদেশের স্পিনারদের মানসিকতা নিয়ে কথা উঠেছে। তারা নিজেদের আক্রমণের অস্ত্র হিসেবে উপস্থাপন করতে পারছেন কিনা, সেই প্রশ্নও উঠছে। যেখানে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে বাংলাদেশের পেসাররা নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়ে সাফল্য এনে দিচ্ছিলেন। তেমন দৃশ্যপটে তাদের ওপর আস্থা না রেখে স্পিনারদের ওপর নির্ভর করাটা সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল কিনা, সেই প্রশ্নও উঠছে।

 





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html