ঢাকাThursday , 25 June 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘দেশে ভয়াবহ হারে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু বাড়ছে’  

Tariqul Islam
June 25, 2026 12:15 pm
Link Copied!


দেশে ভয়াবহ হারে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, “দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব একটি ক্রমবর্ধমান জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।” 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ‍দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৫তম দিনে লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা জানান। সকাল ১১টায় শুরু হওয়া সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। এদিন প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়েছে। 

ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিন প্রশ্নে জানতে চান, “দেশে ভয়াবহ হারে  অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু বাড়ছে সত্য কিনা? সত্য হলে, দেশে জীবাণু শনাক্তকরণ কীট তৈরির কোনও উদ্যোগ গ্রহণ করেছে কি-না; করলে তা কী?” 

জবাবে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “হ্যাঁ, এটি সত্য যে দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব একটি ক্রমবর্ধমান জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ও অতিরিক্ত ব্যবহার, সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং মানব ও প্রাণি খাতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের ফলে এই সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে এবং চিকিৎসা কার্যক্রম আরও জটিল হয়ে উঠছে।” 

মন্ত্রী আরও বলেন, “সরকার জীবাণু শনাক্তকরণ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স নির্ণয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— 

“১) জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান অন এএমআর) বাস্তবায়ন এবং ওয়ান হেলথ (ওয়ান গেল্থ) পদ্ধতির মাধ্যমে মানব, প্রাণী ও পরিবেশ খাতে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা;  

“২) জাতীয় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) সার্ভেইলেন্স (নজরদারি) কার্যক্রম পরিচালনা ও সম্প্রসারণ;  

“৩) দেশের বিভিন্ন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে আধুনিক মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবরেটরি স্থাপন ও উন্নয়ন, যার মধ্যে রয়েছে— জীবাণু শনাক্তকরণ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সংবেদনশীলতা পরীক্ষা (কালচার অ্যান্ড সেনসিটিভিটি টেস্ট) পরিচালনার সক্ষমতা বৃদ্ধি; পরীক্ষাগারে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও রিএজেন্ট সরবরাহ;  ল্যাবরেটরি জনবলের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন। সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ (সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ (আইপিসি) এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল স্টুয়ার্ডশিপ (অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল স্টুয়ার্ডশিপ) কর্মসূচি বাস্তবায়ন। অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের প্রবণতা, ঝুঁকির কারণ এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিরূপণের জন্য সরকার বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।” 

মন্ত্রী জানান, অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার রোধে জনসচেতনতা তৈরির কার্যক্রম চলমান আছে। কার্যক্রমসমূহের মাধ্যমে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল-প্রতিরোধী জীবাণুর শনাক্তকরণ, নজরদারি এবং নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। 





Source link

×

FIFA World Cup Live

FIFA World Cup সরাসরি দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html