ঢাকাWednesday , 16 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আর্জেন্টিনার ঠান্ডা মাথা, আর ইংল্যান্ডের প্ল্যান বি ফেইল


July 16, 2026 6:40 am
Link Copied!


ওলে..ওলে..মেসি। ভামোস আর্জেন্টিনা। বুচাসো..। আরও কতো রকম কসরত করে লিওনেল মেসিদের উজ্জীবিত করে রাখলো সমর্থকরা। তা আটলান্টা স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে না থাকলে উপলব্ধি করা কঠিন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এমন হাইভোল্টেজ ম্যাচে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি গ্যালারিতে চলেছে স্নায়ুর পরীক্ষা। একে তো বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ম্যাচ। তারপর ইংলিশদের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের আগের সেই স্মৃতিমাখা ম্যাচ বারবারই ঘুরে ফিরে এসেছে। এতো চাপ নিয়ে খেলতে নেমে আর্জেন্টিনা শুরুটা ভালো করতে পারলো না। ইংলিশরা গোল করে এগিয়ে গিয়ে ভয় ধারালো। কিন্তু স্ক্যালোনির দলটি যে স্নায়ুর চাপ জয় করতে পারে। ম্যাচ টেম্পারমেন্ট জিততে পারে। তা-ই যেন পরিশেষে দেখা গেল।

তা নাহলে শুরু থেকে ফিজিক্যাল গেম খেললো দুই দল। ফাউলও হলো ১৯টির মতো। আর্জেন্টিনা যেন রক্ষণ দেখেশুনে খেলছিল। হ্যারি কেইনরা বারবারই প্রতিপক্ষের সীমানায় গিয়ে আতঙ্ক ছড়ালো। কিন্তু গোল করার মতো আক্রমণ বা অন টার্গেট শট ছিল না বললেই চলে। বরং আর্জেন্টিনার সুযোগ ক্রস বারের পাশ দিয়ে গেল হতাশই হতে হয়েছে।

এক বিরতির পর ম্যাচের চিত্র পাল্টে গেলো। ইংল্যান্ডের অ্যান্তোনি গর্ডন দারুণ এক প্লেসিংয়ে দলকে এগিয়ে নিলেন। এরপর যেন টমাস টুখেলের দল রক্ষণে নেমে এসে গোল ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা। কিন্তু প্রতিপক্ষ যে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। এরপর দলটিতে লিওনেল মেসির মতো অসাধারণ একজন খেলোয়াড় আছেন। যিনি জানেন কখন কী করতে হবে।
বিশেষ করে এমন এক ম্যাচে ড্রিবলিং করে বক্সে ঢুকে গোল করা কিংবা সেটপিস থেকে গোল করতে না পারলে বিকল্প কী হতে পারে। সেটাই করেছেন মেসি। মাথা ঠান্ডা করে জায়গা তৈরি করে চারটা অন্তত দারুণ ক্রস ভাসিয়েছেন। যার দুটো থেকে গোল এসেছে। আরও দুটো শট তো পোস্টে লেগে হতাশ করেছে।

ইংলিশ ডিফেন্ডাররা আর্জেন্টিনার আক্রমণের তোড়ে শেষটায় এলোমেলো হয়ে যায়। যার কারণে ৮৫ মিনিট পর্যন্ত লিড নিয়েও তাদের জয় হাতছাড়া! টমাস টুখেল ট্যাকিটিকাল গেম খেলতে গিয়ে স্ক্যালোনির কাছে হেরেছেন। এক গোল করে কীভাবে আর্জেন্টিনার মতো দলের বিপক্ষে জয় নিয়ে ম্যাচ শেষ করা যায় তা করতে পারেননি।

ম্যাচ দেখে মনে হয়েছে প্লান বি ছিল না টুখেলের কাছে। থাকলেও সেটি ফেইল করেছে। কেননা তিনি কিছু পরিবর্তন আনলেও সেগুলো কাজ করেনি। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দলের বিপক্ষে কীভাবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচের টেম্পো ধরে রেখে এগিয়ে যেতে হয় তা মাঠে দেখা পারেননি হ্যারি কেইন-বেলিংহ্যামরা। অথচ স্ক্যালোনির দল ধৈর্য ধরে শুধু একের পর এক আক্রমণ করে গোলমুখ উন্মুক্ত করার চেষ্টা করে গেছেন। তটস্থ রেখেছেন প্রতিপক্ষকে। এমনকি পিছিয়ে থেকে কখনও হতোদ্যম হয়নি। ম্যাচ টেম্পারমেন্ট বলে একেই। বলা হচ্ছে এখন পর্যন্ত আর্জেন্টিনার এটাই এই বিশ্বকাপে সেরা ম্যাচ। অথচ আগের নক আউট পর্বে সবগুলো ম্যাচেই পিছিয়ে থেকে কামব্যাক করেছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু আজকের ম্যাচে যেন আগের সবকিছু ছাড়িয়ে গেছে।

আর এটা বড় প্রমাণ হয়তো ম্যাচ শেষে অন্তত আধঘণ্টা মেসিদের মাঠে থেকে উৎসবে সামিল হওয়া। কেউ একজন ঢোল নিয়ে এলো। তা নিয়ে চললো মাঠের এক পাশে আনন্দ-উচ্ছ্বাস। মেসি আগের ম্যাচ জিতে জার্সি খুলে আনন্দ করছিলেন। আজ নীল জার্সি পরেই হাসি মুখেই চলেছে উৎসব। এই আনন্দের ভাষা যে অন্যরকম। ফাইনালে ওঠার।
১৯৮৬ সালে ম্যারাডোনার অধীনে অবিশ্বাস্য জয়। আজ ৪০ বছর পর লিওনেল মেসি রাখলেন দলের জয়ে বড় ভূমিকা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এমন জয়ের পর মেসি ও তাদের সমর্থকদের এমন উৎসব তাদেরই মানায়। এখন শুধু অপেক্ষা আবারও ট্রফি ছোঁয়ার। ১৯ জুলাই ফাইনালে স্পেন কী তা হতে দেবে?





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html