ঢাকাThursday , 17 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ওয়েবসাইটে বিমানের ফ্লাইট অনটাইম, ছাড়লো ২২ ঘণ্টা পর, ৮ শতাধিক যাত্রীর ভোগান্তি


August 4, 2026 10:10 pm
Link Copied!


২২ ঘণ্টা পর ত্রুটি সারিয়ে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজের বোয়িং (৭৭৭-৩০০ ইআর) মডেলের ফ্লাইটটি অবশেষে জেদ্দার উদ্দেশে ছেড়ে গেছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকাল ৪টা ৫৫ মিনিটে চার শতাধিক ওমরাহ যাত্রী নিয়ে ফ্লাইটটি জেদ্দার কিং আব্দুল আজিজ বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। 

এদিকে দীর্ঘ ২২ ঘণ্টা ধরে ত্রুটির কারণে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভোগান্তিতে পড়েন চার শতাধিক ওমরাহ যাত্রী। একইভাবে সৌদি আরবের জেদ্দা এয়ারপোর্টে চার শতাধিক যাত্রী ১৪-১৫ ঘণ্টা ধরে অপেক্ষমান আছেন। সবমিলিয়ে উড়োজাহাজটির যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন আট শতাধিক যাত্রী। 

ওসমানী বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ বলেন, ‘সোমবার বিকালে ঢাকা থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের উড়োজাহাজটি যাত্রী নিয়ে সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এখান থেকে ওমরাহ যাত্রী নিয়ে উড়োজাহাজটির (বিজি-০২৩৫) সৌদি আরের উদ্দেশে উড়াল দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওসমানী বিমানবন্দরে আসার পর তাতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। যে কারণে জেদ্দা এয়ারপোর্টের উদ্দেশে ছেড়ে যেতে পারেনি। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বিমানের প্রকৌশল টিম যান্ত্রিক ত্রুটি সারানোর কাজ শুরু করে। প্রায় ৫ ঘণ্টা পর ত্রুটি সারানো হয়। এরপর বিকাল ৪টা ৫৫ মিনিটের দিকে বিমানটি জেদ্দার উদ্দেশে উড়াল দেয়।’

এদিকে, বিমানটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় জেদ্দা ও ওসমানী বিমানবন্দরে ভোগান্তিতে পড়েন আট শতাধিক যাত্রী। কারণ সিলেট থেকে ছেড়ে যাওয়া বিমানটির ফিরতি ফ্লাইট হিসেবে (বিজি-০২৩৬) দেশে আসার কথা ছিল। এ ছাড়া বিমানের পক্ষ থেকে ফ্লাইট বাতিল হওয়ার বিষয়ে কোনও আপডেট তথ্য জানানো হয়নি যাত্রীদের। বিমানের ওয়েবসাইটেও দেখা যায়, বিমানটি অনটাইম আছে। কিন্তু গেছে ২২ ঘণ্টা পর।

যাত্রীদের অভিযোগ, বিমানের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হলে অনেক যাত্রীই বিকল্প উপায় খুঁজতে পারতেন। ২২ ঘণ্টা ধরে ভোগান্তি পোহাতে হতো না তাদের। এটি চরম অবহেলা ছাড়া কিছুই নয়।

সৌদি আরবে অবস্থানরত এই ফ্লাইটের যাত্রী সিলেট রিয়েল এস্টেট গ্রুপের (সারেগ) সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ দিলওয়ার হোসাইন বলেন, ‘সোমবার রাত ১টার (সৌদি সময়) ফ্লাইটে আমাদের দেশে যাওয়ার কথা ছিল। আমরা একসঙ্গে চার জন অপেক্ষা করছি জেদ্দা বিমানবন্দরে। লাগেজ নিয়ে যথা সময়ে কিং আব্দুল আজিজ বিমানবন্দরে চলে আসি। কিন্তু বিমানের পক্ষ থেকে ফ্লাইট বিলম্বের বিষয়ে আমাদের কিছুই জানানো হয়নি। একপর্যায়ে ১০টি বাসে করে বিমানবন্দরে অপেক্ষমান যাত্রীদের নিয়ে যাওয়া হয় একটি নিম্নমানের হোটেলে। যাত্রীদের খাবারও পরিবেশন করা হয় নিম্নমানের। এ কারণে অনেকের শরীর খারাপ হয়ে গেছে।’

সৌদি আরবে অবস্থানরত আর্ক রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেডের এমডি মুহাম্মদ মুনতাসির আলী বলেন, ‘জেদ্দা-সিলেট ফ্লাইটে নারীসহ আমার নয় জন আত্মীয় রয়েছেন। ফ্লাইটটির শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে তারা বিপাকে পড়েছেন। একইসঙ্গে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে অন্য যাত্রীদের।’

একই ফ্লাইটের যাত্রী ইংরেজি প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হেক্সাসের সিইও সুলতান আহমদ বলেন, ‘আমার প্রবাসী ভাইকে নিয়ে ওমরাহ করতে এসেছিলাম। কিন্তু ফ্লাইট বিলম্বের কারণে শিডিউল বিপর্যয় হয়েছে। বিমানের পক্ষ থেকে ফ্লাইট বাতিল কিংবা দেরি হওয়ার বিষয়ে কোনও আপডেট তথ্য জানানো হয়নি আমাদের। বিমানের ওয়েবসাইটেও দেখা যায়, বিমানটি অনটাইম আছে। এটি কেমন আচরণ বুঝলাম না।’

এসব বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সিলেটের ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার (ডিএম) শরিফুল হাসান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সিলেট থেকে ছেড়ে যাওয়া ফ্লাইটটির যাত্রী ছিলেন ৪০১ জন। ফিরতি ফ্লাইটেও তত সংখ্যক যাত্রী আছেন। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এই অযাচিত বিলম্ব হয়েছে। এটি আগে জানানো উচিত ছিল যাত্রীদের। তাহলে এত দীর্ঘ সময় ভোগান্তি পোহাতে হতো না। তারা বিকল্প উপায় খুঁজে বের করতেন।’





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html