ঢাকাWednesday , 16 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে ফার্ম করলেন ব্যাংক কর্মকর্তা


August 16, 2026 1:25 am
Link Copied!


চট্টগ্রাম নগরীর অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির লালদিঘী পূর্ব কর্পোরেট শাখার ভল্ট থেকে উধাও হওয়া ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। পুলিশের দাবি, বাইরের কোনও চক্র নয়, বরং ব্যাংকটির সিনিয়র অফিসার ও ক্যাশ ইনচার্জ মো. কামরুল হোসেন (৪১) দীর্ঘ ১৪ মাস ধরে ধাপে ধাপে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এই কাজে তাকে সহযোগিতা করেছেন ব্যবসায়ী মো. জাফরুল্লাহ তানভীর (২৫)। আত্মসাৎ করা অর্থের একটি অংশ দিয়ে হাটহাজারীতে একটি অ্যাগ্রো ফার্মও গড়ে তোলা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।  

এই ঘটনায় অগ্রণী ব্যাংকের জেনারেল ম্যানেজার মোস্তাক আহমেদ বাদী হয়ে নগরের কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর পুলিশ ব্যাংক কর্মকর্তা কামরুল হোসেন এবং তার সহযোগী ব্যবসায়ী মো. জাফরুল্লাহ তানভীরকে (২৫) গ্রেফতার করেছে। আদালতে তারা উভয়েই ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। 

যেভাবে হতো অর্থ লোপাট 

তদন্ত ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১ জুন থেকে ২০২৬ সালের ৯ আগস্ট পর্যন্ত ভল্টে নগদ অর্থ জমা রাখার সময় অভিনব জালিয়াতি করা হতো। ১ হাজার টাকার নোটের বান্ডিলের ভেতরে কৌশলে ১০০ টাকা বা তার চেয়ে কম মূল্যমানের নোট ঢুকিয়ে রাখা হতো। এতে বাইরে থেকে বান্ডিলগুলো ঠিক মনে হলেও ভেতরে পর্যাপ্ত টাকা থাকতো না। ভল্টের দায়িত্বে থাকায় কামরুল নিজেই হিসাব মিলিয়ে রাখতেন, যার ফলে দীর্ঘ ১৪ মাস ধরে এই বিশাল ঘাটতি ব্যাংকের কারও নজরে আসেনি। 

ব্যাংকের টাকায় গরুর খামার 

জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, আত্মসাৎ করা অর্থ ব্যবসায়ী তানভীরের মাধ্যমে স্থানান্তর করা হতো। এই টাকা দিয়ে কামরুল হোসেন তার গ্রামের বাড়ি হাটহাজারী উপজেলার উত্তর বুড়িশ্চর এলাকার ফজদের আলী ফকির বাড়িতে ‘ইশরাত অ্যাগ্রো’ নামে একটি গরুর খামার গড়ে তোলেন। খামারটি দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলেন সহযোগী তানভীর।

কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইকবাল হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, আসামিদের গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ১৪ মাস ধরে ধাপে ধাপে টাকা সরানোর প্রমাণ মিলেছে। আত্মসাৎ করা অর্থ দিয়ে তারা আর কোথাও সম্পত্তি বানিয়েছেন কিনা এবং এই বিশাল অঙ্কের লোপাটের নেপথ্যে অন্য কোনো কর্মকর্তা জড়িত আছেন কিনা, তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। 





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html