ঢাকাSunday , 13 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হন্যে হয়ে ‘নম্বর নাইন’ খুঁজছেন ডুলি, কিন্তু…


September 13, 2026 9:10 pm
Link Copied!


বাংলাদেশের জাপানি বংশোদ্ভূত ফুটবলার শুকি ইতোফুসাকে শুরুতে দেখে থমাস ডুলি জানতে চাইলেন- ‘নম্বর নাইন’ পজিশনে খেলতে পারবেন? শুকি তখন শুধু মাথা নাড়লেন। ইংরেজিতে দুর্বলতার কারণে প্রশ্নটা ঠিকমতো বুঝতে পারেননি। পরে অবশ্য ডুলির কাছে পরিষ্কার হয়েছে, শুকি উইংয়ে ভালো, কিন্তু কাঙ্ক্ষিত স্ট্রাইকার নন। ফলে ‘নম্বর নাইন’ খোঁজার তালিকা থেকে আরেকটি নাম বাদ পড়েছে।

আসলে বাংলাদেশ জাতীয় দলের নতুন জার্মান কোচের এখন সবচেয়ে বড় অনুসন্ধান একজন দক্ষ স্ট্রাইকারকে ঘিরে। দেশের বাইরে থাকা কিংবা ট্রায়ালে আসা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের মধ্যেই খুঁজে বেড়াচ্ছেন সেই কাঙ্ক্ষিত ‘নম্বর নাইন’। কারণ ডুলি ভালো করেই জানেন, ম্যাচ জিততে হলে গোল করতে হবে। আর সেই গোলের জন্য প্রয়োজন একজন দক্ষ স্ট্রাইকার। সেটি না থাকলে বড় স্বপ্ন দেখা কঠিন।

সমস্যাটা অবশ্য নতুন নয়। বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশের ফুটবলে ‘নম্বর নাইন’ এক দুর্লভ চরিত্র। গোলকিপার পাওয়া যায়, ডিফেন্ডার পাওয়া যায়, মিডফিল্ডার পাওয়া যায়, উইঙ্গারও মেলে। কিন্তু খাঁটি স্ট্রাইকার? সেখানেই যত বিপত্তি।

এতদিন সেই ঘাটতি পূরণ করতে কখনও ‘ফলস নম্বর নাইন’, কখনও পজিশন বদলে অন্য কাউকে সামনে খেলিয়ে কাজ চালিয়েছেন জেমি ডে থেকে হাভিয়ের কাবরেরা। সাজ্জাদ হোসেন, সুমন রেজা, শাহরিয়ার ইমন, রাকিব হোসেন, শেখ মোরসালিন, রফিকুল ইসলামসহ অনেকে বিভিন্ন সময়ে এই ভূমিকায় খেলেছেন। কিন্তু জাতীয় দলের হয়ে কেউই প্রত্যাশিত ধারাবাহিকতা দেখাতে পারেননি। এমনকি ঘরোয়া ফুটবলে স্ট্রাইকার হিসেবে খেলা সুমন রেজাও জাতীয় দলে বড় ছাপ রাখতে পারেননি।

জাতীয় দলের অনুশীলনের ছবি। থমাস ডুলি তাই দায়িত্ব নেওয়ার পর এসে যেন সেই পুরোনো সমস্যার চোরাবালিতে আটকে যাচ্ছেন। সান মারিনোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে জাতীয় দলের ডাগআউটে অভিষেক হয়েছিল ডুলির। সেখানেও গোলের জন্য অন্য পজিশনের খেলোয়াড়ের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ডিফেন্ডার তপু বর্মণের গোলে জয় নিশ্চিত হয়েছিল বাংলাদেশের।

ফিফা আসিয়ান কাপের প্রস্তুতি ম্যাচে ফর্টিসের বিপক্ষেও একই পরীক্ষা চালিয়েছেন জার্মান কোচ। কাঙ্ক্ষিত ‘নম্বর নাইন’ না পেয়ে শাহরিয়ার ইমন ও সৌরভ দেওয়ানকে সামনে রেখে দেখেছেন। ম্যাচ হেরে যাওয়ার পর বোঝা গেছে, পরীক্ষায় কতটা সন্তুষ্ট হয়েছেন ডুলি।

তাই তো বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘একজন নম্বর নাইন দরকার। কিন্তু খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন। আমি কয়েকজনের সাথে কথা বলেছি কিন্তু তারা কলেজ ছেড়ে এসে খেলতে পারবে না। আমরা সব জায়গায় খুঁজছি।’

খোঁজটা শুধু দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী রোনান সুলিভানের কথাও ডুলির মনে আছে। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলে খেলে নজর কেড়েছিলেন তিনি। একইভাবে লুই ওয়াটসনের দিকেও তাকিয়ে ছিলেন কোচ। কিন্তু তাদের আপাতত পাচ্ছেন না।

ডুলি বলছিলেন, ‘হ্যাঁ, যদি লুই ওয়াটসন আর সুলিভান ভাইয়েরা আসতো তাহলে অনেক সহজ হতো।কিন্তু তারা আসছে না। তাই আমরা এখনও স্বপ্ন দেখছি। কিন্তু শুধু স্বপ্ন দেখে তো আমরা ম্যাচ জিততে পারবো না। সমর্থকরা মনে করে এটা খুব সহজ। তাদের বিন্দুমাত্র ধারণা নেই।’

ডুলির কথায় হতাশার পাশাপাশি বাস্তবতাটাও স্পষ্ট। বাইরে থেকে জাতীয় দলের জন্য একজন স্ট্রাইকার খুঁজে এনে খেলানো যতটা সহজ মনে হয়, বাস্তবে ততটা নয়। কারও পড়াশোনা, কারও ক্লাব, কারও ব্যক্তিগত প্রতিশ্রুতি, সব মিলিয়ে চাইলেই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলারদের পাওয়া যাচ্ছে না।

তারপরও থেমে থাকতে চান না ডুলি। ‘নম্বর নাইন’ না থাকলেও হাতে থাকা রসদ দিয়েই বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। হামজা চৌধুরী, শমিত সোমদের নিয়ে দলটাকে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করার চেষ্টা চলছে। তবে সেই পথটা সহজ নয়, সেটি তিনি শুরুতেই বুঝে গেছেন।

এখন সামনে ফিফা আসিয়ান কাপ। ফল যাই হোক, ডুলির আসল অপেক্ষা নভেম্বরে ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে ঘিরে। এর আগে যদি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের মধ্য থেকে একজন মানসম্পন্ন স্ট্রাইকারকে খুঁজে পাওয়া যায়, তাহলে বদলে যেতে পারে পুরো দলের চেহারা।

 





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html