ঢাকাMonday , 14 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দেড় বছরে হামজার ৫ হাজার জার্সি বিক্রি!


September 14, 2026 11:05 am
Link Copied!


তারকাদের জনপ্রিয়তার বড় মাপকাঠি জার্সি বিক্রির পরিসংখ্যান। লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোদের জার্সির তুমুল চাহিদা সেই বাস্তবতারই প্রমাণ। বাংলাদেশেও কি তাহলে তৈরি হচ্ছে তেমন কোনও উন্মাদনা? উত্তরটা মিলেছে জাতীয় দলের জার্সি বিক্রির পরিসংখ্যানে। ইংলিশ লিগে খেলা হামজা চৌধুরী বাংলাদেশের জার্সি গায়ে মাঠে নামার পর বদলে গেছে সেই চিত্র।

হামজার আগমনে বাংলাদেশের ফুটবলে যেমন নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে, তেমনি জাতীয় দলের জার্সির প্রতিও বেড়েছে সমর্থকদের আকর্ষণ। খেলোয়াড়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে হামজা চৌধুরীর জার্সি। গত দেড় বছরে সংখ্যাটা প্রায় ৫ হাজার।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সঙ্গে কিট স্পন্সর হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিবদ্ধ হয় ‘দৌড়’। শুরুতে জাতীয় দলের জার্সি বিক্রিতে সাড়া ছিল তুলনামূলক কম। কিন্তু হামজা চৌধুরীর বাংলাদেশে আসার পর রাতারাতি পাল্টে যায় দৃশ্যপট। জাতীয় দলের জার্সি নিয়ে সমর্থকদের আগ্রহ বাড়তে থাকে, বাড়ে বিক্রিও।

প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত দেড় বছরে ‘দৌড়’ থেকে প্রায় ৩৫ হাজার জার্সি বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে ২০ শতাংশের বেশি ছিল খেলোয়াড়দের নাম ও নম্বর সংবলিত জার্সি। আর সেই তালিকায় সবার ওপরে হামজা।

১ হাজার ৪০০ টাকা দামের অফিসিয়াল জার্সিতে হামজার নাম-নম্বর বসিয়ে নিয়েছেন হাজার হাজার সমর্থক। তার পরের অবস্থানে রয়েছে জামাল ভূঁইয়া ও শমিত সোমের জার্সি।

হামজাকে ঘিরে এই উন্মাদনার চিত্র তুলে ধরে ‘দৌড়’-এর সিইও আবিদ আলম চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গত দেড় বছরে হামজার জার্সির চাহিদা বেশি ছিল। আমরা ৫ হাজারের মতো শুধু হামজার জার্সি বিক্রি করেছি। আসলে হামজা আসার পর থেকেই বাংলাদেশের ফুটবলে নতুন করে হাওয়া লেগেছে।’

হামজার জার্সির এমন চাহিদার মধ্যেই নতুন করে জাতীয় দলের জার্সি উন্মোচন করেছে ‘দৌড়’। নতুন জার্সি নিয়েও সমর্থকদের আগ্রহ বেশ ভালো। এরই মধ্যে এক হাজারের বেশি অর্ডার পড়েছে।

অর্থাৎ হামজাকে ঘিরে তৈরি হওয়া উন্মাদনা শুধু একজন খেলোয়াড়ের জার্সিতেই আটকে নেই, জাতীয় দলের জার্সির প্রতিও সমর্থকদের আগ্রহ বেড়েছে। সামনে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপকে ঘিরে সেই আগ্রহ আরও বাড়বে বলে প্রত্যাশা আবিদ আলমের।

বড় এই ফুটবল উন্মাদনাকে সামনে রেখে জার্সি বিক্রিতেও উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য ঠিক করেছেন তারা। আবিদ আলম বলেছেন, ‘সামনে দেশে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আছে। আশা করছি তার আগেই উন্মাদনা শুরু হয়ে যাবে। সব মিলিয়ে এক বছরে আমরা এক লাখ জার্সি বিক্রি করতে চাই।’

জাতীয় দলের নতুন জার্সি তৈরির পেছনেও রয়েছে সমর্থকদের অংশগ্রহণ। আবিদ আলম জানান, বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের কাছ থেকে তারা প্রায় ১ হাজার ৩০০টি ডিজাইন পেয়েছিলেন। সেখান থেকে ৩৪টি উপাদান বাছাই করে তৈরি করা হয়েছে নতুন জার্সি।

হোম জার্সির মূল থিম রাখা হয়েছে মাতৃভাষা বাংলা। বিশেষ প্রযুক্তি ও ডিজাইনে তৈরি এই জার্সির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, মাত্র ৮ মিনিটে ঘাম শুকিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা।

খেলোয়াড়দের পরার জার্সির দাম রাখা হয়েছে ১ হাজার ৬০০ টাকা। আর সমর্থকদের জন্য তৈরি জার্সির মূল্য ৭০০ টাকা।

জার্সির ডিজাইন কপি করা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে আবিদ আলম বলেন, ‘কেন আমরা কপি করবো? আমরা ডিজাইনের জন্য আবেদন করে তারপর চূড়ান্ত করেছি। এখানে কপি করার কিছু নেই।’

হামজার আগমনের পর বাংলাদেশের ফুটবলে মাঠের পাশাপাশি মাঠের বাইরেও যে নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে, জার্সি বিক্রির পরিসংখ্যান তারই বড় প্রমাণ। বাংলাদেশের ফুটবল সংস্কৃতিতে যে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে, সেটিই এর বড় ইঙ্গিত।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html