ঢাকাThursday , 29 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সরকারি এক হাসপাতালে ২৩ কোটি টাকা অপচয়, চিকিৎসাসামগ্রী ক্রয়ে এত অনিয়ম


October 14, 2026 1:55 am
Link Copied!


ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দুটি যন্ত্র ক্রয়ে প্রায় সাড়ে ২৩ কোটি টাকার সরকারি অর্থের অপচয় করা হয়েছে বলে দুদক জানিয়েছে। যার মধ্যে বিগত ৯ বছর আগে ক্যাথল্যাব স্থাপন করা হলেও চালু হয়নি এবং লিনিয়ার এক্সেলেটর বস্তাবন্দি অবস্থায় রয়েছে। 

এছাড়া এমএসআর (চিকিৎসা সামগ্রী) ক্রয়ে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার তথ্য পেয়েছে সংস্থাটি। একইসঙ্গে সেগুলোর রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে এবং অনুসন্ধান ও বিশ্লেষণ শেষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে দুদক। 

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশন জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজ। এর আগে গতকাল সোমবার সকাল ১০টা থেকে হাসপাতালে অভিযান শুরু হয় এবং মঙ্গলবার রাত ৮টায় শেষ হয়। এতে মোস্তাফিজের নেতৃত্বে দুদকের আট জন কর্মকর্তা অংশ নেন। 

সহকারী পরিচালক মোস্তাফিজ জানান, চিকিৎসা সেবা প্রদানে হয়রানি, দালাল চক্রের মাধ্যমে রোগীদের বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো এবং আউটসোর্সিং নিয়োগে অনিয়ম, ক্রয়-বিক্রয়সহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময়ে নানা অনিয়মের তথ্য মিলেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। 

তিনি জানান, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সরকারি এই হাসপাতালের ক্যান্সার ইউনিটের জন্য সাড়ে ১৪ কোটি টাকা মূল্যের লিনিয়ার এক্সেলেটর যন্ত্র আনা হলেও আজও তা বাক্সবন্দি অবস্থায় রয়েছে। এ ছাড়া একই অর্থবছরে কার্ডিওলজি বিভাগে ৮ কোটি ৮৮ লাখ টাকা মূল্যের ক্যাথল্যাব যন্ত্র স্থাপন করা হলেও তা চালু করা হয়নি। যেগুলো চালু না করেই ওই অর্থ-বছরে দুটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। 

দুদক কর্মকর্তা বলেন, অবকাঠামো নির্মাণ না করেই লিনিয়ার এক্সেলেটর মেশিনটি ক্রয় করা হয়েছে এবং ক্যাথল্যাব চালু না করায় সরকারি অর্থের অপচয় হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সব নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে এবং অধিকতর যাচাই-বাছাই শেষে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এমএসআর ক্রয়ে অনিয়ম

হাসপাতালের এমএসআর (চিকিৎসা সামগ্রী) ক্রয়ে তথ্যের গরমিল পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করেন দুদক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ফেব্রিক্স নামক একটি ওষুধের ৭৬২ বোতল ঘাটতি এবং হেক্সাটন নামক ওষুধের বেশি বোতল পাওয়া গেছে। যা আমাদের কাছে অস্বাভাবিক বলে মনে হয়েছে। 

এছাড়া হাসপাতালটিতে দীর্ঘদিন ধরে সিটিস্ক্যান ও এক্স-রে পরীক্ষা বন্ধ থাকার ক্ষেত্রে অনিয়ম পেয়েছে দুদক। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এমএসআর ক্রয়ের কার্যাদেশে সব সামগ্রীর মধ্যে সিটিস্ক্যান ও এক্স-রে ফ্লিম থাকলেও ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান সরবরাহ করেনি বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বরাদ দিয়ে দুদক জানান। এগুলো ব্যতীত সব বিল পরিশোধ করে নিয়েছে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। 

বিষয়টি নিয়ে দুদক কর্মকর্তা মোস্তাফিজ বলেন, এখানে কোনও অনিয়ম হয়েছে কি না, সে বিষয়ে অধিকতর যাচাইয়ের জন্য রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে৷ 

জমা হয়নি সরকারি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া

অপরদিকে গত এক মাসে হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স ভাড়ার কোনও অর্থ জমা হয়নি বলে তারা অনুসন্ধানে তথ্য পেয়েছেন।

দুদক কর্মকর্তা বলেন, হাসপাতালে ৫টি সরকারি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে এবং দুটি নষ্ট রয়েছে। তিনটি চালু থাকলেও ভাড়ার টাকা জমা হয়নি এবং এখানে অনিয়ম হয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়েছে। এ ছাড়া আউটসোর্সিং নিয়োগ সংক্রান্ত রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। আমরা প্রতিটি রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করেছি এবং রেকর্ডপত্র বিশ্লেষণ শেষে দায় নির্ধারণ করা হবে। এরপর ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য প্রধান কমিশনার বরাবর পাঠানো হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত পরিচালক) মানষ কৃষ্ণ কুন্ডু বলেন, দুদক আমাদের কাছে যা যা চেয়েছিল, সব তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেছি। হাসপাতালের ওই মেশিন দুটি দীর্ঘদিন ধরে পড়ে আছে, যে বিষয়ে মন্ত্রণালয়েও জানানো হয়েছে। এ ছাড়া অ্যাম্বুলেন্স ভাড়ার বিষয়টি সঠিক নয় এবং এমএসআর ক্রয়ে অনিয়ম হয়েছে কি না, সেটা আমার জানা নেই।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html