ঢাকাThursday , 29 October 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়েছি, এবার বাড়তি সহায়তা চাই: অর্থমন্ত্রী


October 14, 2026 2:05 pm
Link Copied!


যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের অগ্রগতি এবং দেশটি থেকে আমদানি বাড়ানোর বিষয়টি তুলে ধরে আরও বেশি আর্থিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়োজাহাজ, জ্বালানি তেল, সয়াবিনসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি বাড়ানো হয়েছে। দুই দেশের সম্পর্ক যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জন্য বাড়তি সহায়তা আসা উচিত।’ 

বুধবার (১৪ অক্টোবর) ব্যাংককে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকে ঋণ ব্যবস্থাপনা, মার্কিন সহায়তা এবং দুই দেশের সামগ্রিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বাংলাদেশ তেমন সহায়তা পায়নি। তবে বর্তমানে দুই দেশের সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে। বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিভিন্ন পণ্য আমদানি করছে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের প্রত্যাশিত সহায়তা এখনই পাওয়া প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ‘বিগত দিনে আমরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেমন কিছু পাইনি। কিন্তু বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক যেভাবে এগিয়েছে, তাতে আমরা যুক্তরাষ্ট্র থেকে অনেকগুলো এয়ারক্রাফট কিনছি, তেল, সয়াবিনসহ বিভিন্ন পণ্য ও কমোডিটি আমদানি করছি। তাই তাদের কাছ থেকে আমাদের জন্য বাড়তি সহায়তা আসা উচিত। তারা এ বিষয়ে একমত হয়েছে। এখন দেখা যাক।’

ঋণের বদলে বিনিয়োগে গুরুত্ব

সরকারের অর্থনৈতিক নীতিতে ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ ও যৌথ বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে শুধু ঋণনির্ভরতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বিনিয়োগ বাড়ানোর দিকে এগোতে চায় সরকার। এ লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গেও দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে।’ 

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অর্থনৈতিক নীতির মূল জোর হচ্ছে বিনিয়োগ। আমরা ঋণ থেকে সরে এসে সরাসরি বিনিয়োগ ও যৌথ বিনিয়োগের দিকে বেশি যেতে চাই।’

সরকারের এই নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশ কতটা এগিয়ে যেতে পারবে, সে বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। তার মতে, বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের পাশাপাশি দেশের উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

আমদানি বাড়লেও সহায়তার প্রত্যাশা

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের আমদানি বাড়ার বিষয়টি বৈঠকে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরা হয়েছে বলে জানান আমির খসরু। উড়োজাহাজ, জ্বালানি তেল, সয়াবিনসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির ফলে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও বিস্তৃত হচ্ছে। 

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র থেকে বিপুল পরিমাণ পণ্য আমদানি বাংলাদেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যের ওপরও প্রভাব ফেলছে। তাই আমদানির পাশাপাশি বাংলাদেশের জন্য বাড়তি সহযোগিতা পাওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের জোর দিয়ে বলেছি, বাংলাদেশ যখন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এত বেশি আমদানি করছে এবং দুই দেশের সম্পর্ক যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে, এখন যদি যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই সমর্থন না আসে, তাহলে আর কবে আসবে? আমরা যে সহায়তাগুলো আশা করছি, সেগুলো এখন আসা উচিত।’

অর্থমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের এই অবস্থানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো একমত হয়েছে। তবে কী ধরনের সহায়তা, কত পরিমাণে এবং কী প্রক্রিয়ায় পাওয়া যাবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

ঋণ ব্যবস্থাপনা ও মার্কিন সহায়তা নিয়ে আলোচনা

যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে ঋণ ব্যবস্থাপনা, মার্কিন সহায়তা এবং দুই দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অনুদান প্রদানকারী একটি সংস্থার সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে।

তবে এসব আলোচনা থেকে বাংলাদেশ কী পরিমাণ আর্থিক সহায়তা পেতে পারে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো অঙ্ক বা সময়সীমা জানাননি তিনি।=

বাংলাদেশের প্রত্যাশা, দুই দেশের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক সম্পর্কের পাশাপাশি অর্থনৈতিক সহযোগিতাও বাড়বে। এখন আলোচনায় পাওয়া সম্মতি বাস্তবে কতটা সহায়তায় রূপ নেয়, সেটিই দেখার বিষয়।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html