ঢাকাTuesday , 3 November 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কাজে যেতে চান শ্রমিকেরা, আন্দোলনে উসকানি দিচ্ছে কারা?


November 3, 2026 3:05 pm
Link Copied!


ঢাকার সাভারের আশুলিয়ার শিল্পাঞ্চলে শ্রমিক বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের ঘটনায় এ পর্যন্ত পুলিশের প্রায় ৫০ জন সদস্য আহত হয়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুর পর্যন্ত শতাধিক পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। তবে শিল্পাঞ্চলের অধিকাংশ কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে শিল্প পুলিশ।

শ্রমিক আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে বলে মনে করছেন আশুলিয়া শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া। তার দাবি, সাধারণ শ্রমিকেরা কাজে থাকতে চান। কিন্তু বহিরাগত কিছু লোকের ইন্ধনে একটি পক্ষ প্রতিদিন সকালে কাজে যোগ দিতে আসা শ্রমিকদের উসকানি দিয়ে কারখানা থেকে বের করে আনার চেষ্টা করছে।

মঙ্গলবার দুপুরে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে দেওয়ান পাম্পের পাশে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

এসপি বলেন, সাধারণ শ্রমিকেরা কাজ করতে চান এবং কর্মমুখর থাকতে চান। কিন্তু বহিরাগত কিছু লোকের ইন্ধনে একটি পক্ষ শ্রমিকদের উসকানি দিয়ে কারখানা থেকে বের করে আনার চেষ্টা করছে। তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।

শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শিল্প পুলিশ তৎপর রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, শ্রমিকেরা যাতে নিরাপদে কাজ করতে পারেন, সে জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে নিরাপত্তার কারণে কিছু কারখানার শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে পুলিশ বল প্রয়োগ করছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে, তা সঠিক নয়।

শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা আদায়েও পুলিশ সহযোগিতা করছে বলে দাবি করেন এসপি। তিনি বলেন, এক মালিক শ্রমিকদের চার মাসের বেতন পরিশোধ না করে আত্মগোপনে ছিলেন। পরে তাকে আটক করে আশুলিয়া থানার মাধ্যমে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ জন্য শ্রমিকেরা পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের কাজের পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। কিন্তু কিছু লোকের ইন্ধনে শ্রমিকদের একটি অংশ কারখানা থেকে বেরিয়ে পুলিশের পাশাপাশি অন্য কারখানায়ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে আত্মরক্ষা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করছে। পুলিশ শ্রমিকদের প্রতিপক্ষ নয়। সরকার ঘোষিত ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও পুলিশ শ্রমিকদের পাশে থাকবে।

কারখানা বন্ধের বিষয়ে এসপি জানান, তার আওতাধীন প্রায় ৮০০ কারখানার মধ্যে শতাধিক কারখানা বন্ধ রয়েছে। নরসিংহপুর, নিশ্চিন্তপুর ও জিরাবো এলাকার কিছু কারখানা ছাড়া সাভারের অন্যান্য এলাকার অধিকাংশ কারখানায় উৎপাদন চলছে। কিছু কারখানায় সাময়িকভাবে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার দুপুরের পর কয়েকজন কারখানামালিক ফোন করে কারখানা চালু করতে চান এবং নিরাপত্তা চান। তাদের জানানো হয়েছে, পুলিশ মাঠে রয়েছে এবং নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে কারখানা খুলে উৎপাদন শুরু করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংঘর্ষে পুলিশ সদস্য আহত হওয়ার বিষয়ে মোহাম্মদ মোমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, এ পর্যন্ত পুলিশের প্রায় ৫০ জন সদস্য আহত হয়েছেন। এর মধ্যে সোমবার আহত হন প্রায় ২০ জন। মঙ্গলবার এক পুলিশ সদস্যের মাথায় ইটের আঘাত লাগে। তার মাথায় চারটি সেলাই দিতে হয়েছে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এসপি দাবি করেন, সোমবার শ্রমিকদের একটি দল কারখানা থেকে বেরিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করে আশুলিয়া থানার মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবারও প্রত্যক্ষ প্রমাণের ভিত্তিতে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসব ঘটনায় কারা জড়িত, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

ন্যূনতম মজুরি নিয়ে আন্দোলনের বিষয়ে এসপি বলেন, ন্যূনতম মজুরি বোর্ড কাজ করছে। তারা শিগগিরই প্রতিবেদন জমা দেবে এবং সরকার তা বাস্তবায়ন করবে। এ অবস্থায় আন্দোলনের কোনো যৌক্তিকতা নেই বলে মনে করছে পুলিশ। তার ভাষ্য, আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html