সৌদি আরবে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রভাব পড়েছে এশীয় ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে। শেষ পর্যন্ত পিছিয়ে গেছে এএফসি এশিয়ান কাপ। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আগামী জানুয়ারিতে টুর্নামেন্টটি আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না বলে নিশ্চিত করেছে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)।
আগামী ৭ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সৌদি আরবে হওয়ার কথা ছিল এশিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই। নতুন সূচি অনুযায়ী, টুর্নামেন্টটি অনুষ্ঠিত হবে ২০২৭ সালের ২৩ ডিসেম্বর থেকে ২০২৮ সালের ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত।
মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এএফসি জানিয়েছে, পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ে প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। নতুন তারিখ অনুমোদনের জন্য ফিফার কাছে প্রস্তাব পাঠাবে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তিতে এএফসি বলেছে, ‘পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রতিযোগিতাটি আয়োজন ও সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অংশগ্রহণকারী সব দল, কর্মকর্তা, দর্শক এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের স্বার্থ বিবেচনায় প্রতিযোগিতাটি স্থগিত করা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।’
অথচ গত মাসেও এএফসি সভাপতি শেখ সালমান জানিয়েছিলেন, মহাদেশের সবচেয়ে বড় এই আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টটি পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন জোট ও ইয়েমেনভিত্তিক হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘাত বাড়লেও তখন টুর্নামেন্ট আয়োজন নিয়ে আশাবাদী ছিলেন তিনি।
এশিয়ান কাপ আয়োজনের জন্য নির্ধারিত আটটি স্টেডিয়ামের পাঁচটিই রিয়াদে। ৫১ ম্যাচের মধ্যে ৩০টি হওয়ার কথা ছিল সৌদি আরবের রাজধানীতে। ফলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ টুর্নামেন্ট আয়োজনের ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চার বছর পরপর হওয়া এই টুর্নামেন্ট ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে সৌদি আরব। দেশটি ২০৩৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপেরও আয়োজক।