তৃণমূল পর্যায় থেকে ক্রীড়াপ্রতিভা খুঁজে বের করার লক্ষ্যে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসর শুরু হতে যাচ্ছে আরও বড় পরিসরে। এবার প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে ১৬ লাখ ২৩ হাজার শিশু-কিশোর। আগামী ৫ নভেম্বর খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই দিন দেশের ৫০৩টি উপজেলায় অনলাইনে সম্প্রচার করা হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।
মঙ্গলবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। এ সময় প্রথম আসর থেকে বাছাই করা ৪০ প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে আগামী জানুয়ারিতে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) স্থায়ীভাবে ভর্তির ঘোষণাও দেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী জানান, দ্বিতীয় আসরে দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। নিবন্ধিত ১৬ লাখ ২৩ হাজার প্রতিযোগীর মধ্যে ৯ লাখ ৪৪ হাজার ৮৩৩ জন কিশোর এবং ৬ লাখ ৮৯ হাজার ১৩৫ জন কিশোরী। প্রথম আসরের আটটি ইভেন্টের সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে ভলিবল ও টেবিল টেনিস। ফলে মোট ১০টি খেলায় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রথম আসরে অংশ নিয়েছিল প্রায় ১ লাখ ৬৮ হাজার শিশু-কিশোর। তাদের মধ্য থেকে ৩১০ জনকে বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণের জন্য বাছাই করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে প্রশিক্ষণ নেওয়া খেলোয়াড়দের মধ্য থেকে ৪০ জনকে স্থায়ীভাবে ভর্তির জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ২৮ জন কিশোরী ও ১২ জন কিশোর। আগামী জানুয়ারি থেকে তাদের পড়াশোনা ও খেলাধুলার যাবতীয় দায়িত্ব নেবে সরকার।
দ্বিতীয় আসর থেকে উঠে আসা প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিকেএসপিগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন আমিনুল হক। এতে বাছাই করা খেলোয়াড়দের নিজ নিজ বিভাগ ও জেলায় রেখেই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে।
ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শেষে আগামী মে-জুনের মধ্যে ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ের আয়োজন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। দ্বিতীয় আসরের কার্যক্রম শেষ হওয়ার পরপরই তৃতীয় আসরের প্রস্তুতিও শুরু করতে চায় সরকার।