চলতি বছরে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বৃদ্ধির পূর্বাভাসের জেরে শক্তিশালী হয়ে উঠেছে মার্কিন ডলার। এর বিপরীতে বিশ্ববাজারে মূল্যবান ধাতু স্বর্ণের দামে বড় পতন ঘটেছে। একই সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তি আলোচনাও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন বিনিয়োগকারীরা। মঙ্গলবার (২৩ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ১ শতাংশেরও বেশি কমেছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
গ্রিনিচ মান সময় ৫টা ৪৮ মিনিট পর্যন্ত স্পট গোল্ডের দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১১৯ দশমিক ১৩ ডলারে নেমে আসে। আগস্টে সরবরাহযোগ্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারের দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ১৩৭ দশমিক ১০ ডলারে।
এদিকে স্পট রুপার দাম ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬২ দশমিক ৫৯ ডলারে নেমে এসেছে। প্লাটিনামের দাম ২ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬৪৪ দশমিক ৭৫ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৩৬ দশমিক ৫০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, এই সপ্তাহে তেলের দাম কমায় সোনা কিছুটা সুবিধা পেয়েছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের ক্ষেত্রে এমন কোনও সুবিধা পাচ্ছে না। ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার বৃদ্ধির পূর্বাভাসের কারণে ডলারের দাম ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।
সিএমই ফেডওয়াচ টুল অনুযায়ী, ডিসেম্বরে সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনা এখন ৮৮ শতাংশে পৌঁছেছে। গত সপ্তাহে ফেডের বৈঠকের আগে এই সম্ভাবনা ছিল ৬১ শতাংশ।
গত সপ্তাহের শেষ দিকে ছুঁয়ে যাওয়া এক বছরের সর্বোচ্চ অবস্থানের কাছাকাছি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে ডলার। ফলে অন্যান্য মুদ্রাধারী ক্রেতাদের জন্য স্বর্ণ কেনা আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে।