ঢাকাWednesday , 16 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মহিষগুলোর কষ্ট দেখে কষ্ট পেতো গ্রামের লোকও, অবশেষে উদ্ধার


August 17, 2026 8:00 pm
Link Copied!


বাড়ির চারপাশে কাদা আর কাদা। সেই কাদার মধ্যেই টানা তিন মাস ধরে ২৪ ঘণ্টা বাঁধা ছিল চারটি মহিষ। মহিষগুলোর এমন দুরবস্থা দেখে গ্রামের লোকজনও কষ্ট পেতেন। কয়েকজন আবদুল আলিমকে কাদা থেকে মহিষগুলো সরানোর অনুরোধও করেছিলেন। তবে তাতে কাজ হয়নি। শেষ পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি উঠে এলে মহিষ চারটিকে উদ্ধার করেন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজ্জাদ হোসেন।

রবিবার (১৬ আগস্ট) সন্ধ্যার পর উপজেলার গোকুলনগর গ্রামের আবদুল আলিমের বাড়িতে গিয়ে মহিষগুলো কাদা থেকে সরিয়ে বাড়ির পাশের শুকনা জায়গায় নেওয়ার ব্যবস্থা করেন ইউএনও। একই সঙ্গে ১৫ দিনের মধ্যে মহিষগুলো রাখার জন্য ভালো জায়গা তৈরির নির্দেশনা দেন তিনি।

সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ওই পরিবারকে মহিষগুলোর জন্য নিরাপদ জায়গা ও পর্যাপ্ত খাবারের সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৫ দিনের মধ্যে প্রাণীগুলোর জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করতে না পারলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গোকুলনগর গ্রামের মৃত ফজর আলীর ছেলে আবদুল আলিম তার চারটি মহিষ বাড়ির পাশে প্রচণ্ড কাদার মধ্যে বেঁধে রাখেন। আগে মহিষগুলো মাঠে চরাতে নিয়ে গেলেও বর্ষা মৌসুমের তিন মাস ধরে তা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে সারাক্ষণ কাদার মধ্যেই বাঁধা ছিল মহিষগুলো।

উদ্ধারে ইউএনও। ছবি: ফেসবুক থেকে

এলাকার অনেকে বিষয়টি মেনে নিতে পারছিলেন না। মহিষগুলোকে কাদা থেকে সরানোর জন্য কেউ কেউ আবদুল আলিমকে অনুরোধও করেন। কিন্তু তিনি কোনো ব্যবস্থা নেননি।

বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয় পরিবেশকর্মী নাজমুল হাসানের। তিনি মহিষগুলোর দুরবস্থার ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেন। পোস্টটি নজরে আসে মহেশপুরের ইউএনও সাজ্জাদ হোসেনের। পরে সন্ধ্যার পর তিনি পরিবেশকর্মী নাজমুল হাসানকে সঙ্গে নিয়ে আবদুল আলিমের বাড়িতে যান। সেখানে কাদায় বন্দিদশা থেকে মহিষ চারটিকে মুক্ত করেন।

এ সময় বাড়িতে ছিলেন না আবদুল আলিম। তার মা সত্য খাতুন বলেন, ‘আমরা এভাবে প্রাণীগুলোকে কষ্ট না দিয়ে বেচে ফেলতে বলেছিলাম, কিন্তু কথা শোনেনি আলিম। বাড়ির মেয়েরা ভয়ে মহিষগুলোর কাছে যেতে পারেনি, তাই সরানো সম্ভব হচ্ছিল না।’

পরিবেশকর্মী নাজমুল হাসান বলেন, গ্রামের লোকজনও মহিষগুলোর কষ্ট দেখে কষ্ট পেতেন। কিন্তু আবদুল আলিম জীবন্ত প্রাণীগুলোকে কাদার মধ্য থেকে বের করেননি।

তিনি বলেন, ‘আমি মহিষগুলোর এই অবস্থা দেখে ফেসবুকে পোস্ট করি। বিষয়টি নজরে এলে গতকাল সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন এসে মহিষগুলোকে কাদা থেকে মুক্ত করেন।’





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html