ঢাকাSaturday , 12 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মুগদা হাসপাতালে ধারণ ক্ষমতার তিন গুণ ডেঙ্গু রোগীর চাপ

UttorbongoBD
August 26, 2026 10:15 pm
Link Copied!


রাজধানীতে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোগীর চাপে কার্যত ধারণক্ষমতা হারিয়েছে মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ড। ৪৮ শয্যার বিপরীতে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) চিকিৎসা নিচ্ছিলেন ১২৭ জন রোগী—যা ওয়ার্ডটির ধারণক্ষমতার প্রায় তিন গুণ। শয্যা না থাকায় অনেক রোগীকে মেঝে ও বারান্দায় ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার সরেজমিন দেখা যায়, ওয়ার্ডের প্রতিটি শয্যা রোগীতে পূর্ণ। অতিরিক্ত রোগীদের জন্য মেঝেতে বিছানা পেতে স্যালাইন ও ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা চলছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ আগস্ট ডেঙ্গু নিয়ে ২০ জন, ২১ আগস্ট ৪০ জন, ২২ আগস্ট ৩৬ জন, ২৩ আগস্ট ৩৫ জন এবং ২৪ আগস্ট ৪৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া ২৫ আগস্ট দুপুর ২টা পর্যন্ত আরও ২০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

ডেঙ্গু ওয়ার্ডের সাব-ইনচার্জ নাসিমা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “আমাদের ওয়ার্ডে ৪৮টি শয্যা রয়েছে, কিন্তু আজ চিকিৎসা নিচ্ছেন ১২৭ জন রোগী। জুলাই পর্যন্ত রোগী কম ছিল, আগস্টে এসে হঠাৎ ভর্তি অনেক বেড়ে গেছে।’’

তিনি জানান, বেশিরভাগ রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় নেন। তবে সংকটাপন্ন রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসার সময় আরও দীর্ঘ হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, খিলগাঁও, মুগদা, বনশ্রী, টিকাটুলি, মান্ডা, যাত্রাবাড়ী, বাড্ডা, মাতুয়াইল, ডেমরা, জুরাইন, নারায়ণগঞ্জ ও মুন্সীগঞ্জ এলাকা থেকে সবচেয়ে বেশি রোগী আসছেন। ঢাকার বাইরের রোগীর সংখ্যা তুলনামূলক কম।

মেডিক্যাল অফিসার ডা. সারা বলেন, “বর্তমানে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ভর্তি রোগীদের মধ্যে তরুণ, প্রাপ্তবয়স্করাই বেশি, শিশু ও বয়স্ক রোগী তুলনামূলক কম। এ পর্যন্ত একজন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।”

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশারি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, “পরিবারে একজন আক্রান্ত হলেও অন্য সদস্যদেরও মশারি টানিয়ে ঘুমানো উচিত। অনেক রোগীই জানিয়েছেন, তারা নিয়মিত মশারি ব্যবহার করতেন না।’’

মুগদা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগী

বাড্ডার বাসিন্দা স্বপন মিয়া বলেন, “এক সপ্তাহ আগে জ্বর শুরু হয়। পরে বমি, মাথাব্যথা ও চোখের পেছনে তীব্র ব্যথা বাড়তে থাকলে হাসপাতালে আসি। এখানে এসে ডেঙ্গু ধরা পড়ে।’’

তিনি বলেন, “বেডে জায়গা না পেয়ে মেঝেতেই চিকিৎসা নিচ্ছি। চোখের পেছনে তীব্র ব্যথা, মাথাব্যথা এবং মাঝে-মধ্যে একটানা বমি হয়। স্যালাইন ও ওষুধ চলছে, কিন্তু ঠিকমতো খেতেও পারছি না।”

খিলগাঁও এলাকার ২৫ বছর বয়সী তামান্না চার দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তিনি বলেন, “আমি বাসার আশপাশ সব সময় পরিষ্কার রাখি, মশারি টানিয়েই ঘুমাই। তারপরও আমার ধারণা, বাসার বাইরে কোথাও মশার কামড় থেকেই আক্রান্ত হয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “সিটি করপোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রম অনেক ধীরগতির। এ বিষয়ে আরও জোর দেওয়া উচিত। আমি অসুস্থ থাকায় সন্তানদের পড়াশোনারও ক্ষতি হচ্ছে। শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা, খাবারে অরুচি, শুধু স্যালাইন চলছে। শরীর খুব দুর্বল হয়ে গেছে।”

ঊর্ধ্বমুখী পরিস্থিতিতে  ডেঙ্গু প্রতিরোধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে

জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেন, “যেসব এলাকা থেকে ডেঙ্গু রোগী বেশি শনাক্ত হচ্ছে, সেসব এলাকাকে অগ্রাধিকার দিয়ে মশক নিধন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে এবং তাদের কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।”





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html