ঢাকাSaturday , 12 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি করার লক্ষ্য সরকারের


September 12, 2026 9:30 pm
Link Copied!


বাংলাদেশকে ঋণনির্ভর ও দুর্নীতিগ্রস্ত অবস্থা থেকে বের করে উৎপাদনমুখী অর্থনীতিতে নিয়ে যেতে চায় সরকার। এই লক্ষ্য সামনে রেখে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ‘সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ’ আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘এই লক্ষ্য অর্জনে সরকার পঞ্চবার্ষিকী অর্থনৈতিক কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে। অতীতের পরিকল্পনাগুলোর মতো এটি যেন শুধু অনুমোদনের পর মৃত দলিলে পরিণত না হয়, সে লক্ষ্যেই নতুনভাবে পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে।’

অতীতে ঋণ বাড়ানো হলেও অনেক ক্ষেত্রে তার যথাযথ মূল্য পাওয়া যায়নি উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, একই সঙ্গে বড় প্রকল্পের নামে বড় ধরনের দুর্নীতি হয়েছে। সেই ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে সরকার নতুন অর্থনৈতিক মডেলের কথা বলছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের নতুন মডেল হচ্ছে বিনিয়োগ। সেটি হচ্ছে উৎপাদনমুখী বিনিয়োগ। আমরা বাংলাদেশকে ম্যানুফ্যাকচারিং হাবে পরিণত করতে চাই এবং ম্যানুফ্যাকচারিং গেটওয়েতে পরিণত করতে চাই।’

অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক ভূ-অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্নের কারণে শিল্পনীতির দিকে নতুন করে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। উৎপাদন বাড়লে কর্মসংস্থান তৈরি হবে এবং সেই কর্মসংস্থানের বড় অংশ আনুষ্ঠানিক খাতে হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি বলেন, সরকারের পরিকল্পনাগুলো তথ্যনির্ভরভাবে তৈরি করা হচ্ছে।

ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, অতীতের শাসনামলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা হয়নি। অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা গুরুত্বপূর্ণ হলেও একটি দেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো প্রতিষ্ঠান।

তার প্রশ্ন, ‘প্রতিষ্ঠানটা কার জন্য? কে আইন তৈরি করছে? কে আইনের বা প্রতিষ্ঠানের ফলে লাভবান হচ্ছে বা সুবিধাবাদী হচ্ছে এবং কে আসলে পরিবর্তন করতে পারে?’

তিনি বলেন, জ্বালানি খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বজনতোষী ও পৃষ্ঠপোষকতানির্ভর সংস্কৃতি চালু ছিল। এর ফলে একদিকে বেকারত্ব বেড়েছে, অন্যদিকে বেড়েছে বৈষম্য।

বর্তমান সরকারের লক্ষ্য অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তোলা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দর্শন হচ্ছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। অর্থাৎ সবাইকে নিয়ে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ এবং সবার বাংলাদেশ।

ড. তিতুমীর বলেন, অতীতে একটি অলিগার্কিক ও পৃষ্ঠপোষকতানির্ভর শাসনব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল। ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে ভাগবাটোয়ারার একটি ব্যবস্থা চালু ছিল। এই ব্যবস্থার প্রভাব এখনো বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে রয়ে গেছে।

বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে এবং এর বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক, মানবিক ও কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকারের একটি সুস্পষ্ট ভিশন রয়েছে। সেই ভিশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কৌশল ও লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রসঙ্গে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, অতীতে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে অনুমোদনের পর অনেক পরিকল্পনাই কার্যত মৃত দলিলে পরিণত হতো। এবার সেই অভিজ্ঞতা থেকে বেরিয়ে এসে নতুন অর্থনৈতিক কৌশল তৈরি করা হয়েছে।

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য সামনে রেখে এই কৌশল নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থাও নেই।

ড. তিতুমীর বলেন, বিভিন্ন হিসাব অনুযায়ী আগের শাসনামলের শেষ দিকে প্রায় এক কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে গেছে। অথচ কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে ন্যাশনাল সোশ্যাল সিকিউরিটি স্ট্র্যাটেজি তৈরি করা হলেও এর শেষ বছরে এত মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে।

এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে সরকারের পঞ্চবার্ষিক অর্থনৈতিক কৌশলে তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এগুলো হলো, পুনরুদ্ধার, পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দ্রুত পুনর্গঠনের মাধ্যমে সমৃদ্ধির পথে যাত্রা।

তিনি বলেন, ‘প্রথম বিষয় হচ্ছে পুনরুদ্ধার, অর্থাৎ রিকভারি। দ্বিতীয় হচ্ছে রেস্টোরেশন, অর্থাৎ পুনঃপ্রতিষ্ঠা। আর তৃতীয় হচ্ছে রিকনস্ট্রাকশন ফর এক্সিলারেশন, অর্থাৎ দ্রুততার সঙ্গে পুনর্গঠনের মাধ্যমে সমৃদ্ধির পথে যাত্রা।’

সরকারের লক্ষ্য উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা বলেও জানান প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা। তিনি বলেন, উৎপাদন ঠিক হলে কর্মসংস্থান হবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়লে অর্থনীতির কাঠামোও শক্তিশালী হবে।





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html