ঢাকাFriday , 31 July 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দুই দিনেই ধসে গেলো ৪ কোটি টাকার সড়ক


July 31, 2026 8:50 am
Link Copied!


প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সড়ক ও তিনটি ব্রিজের উন্নয়ন প্রকল্পের অংশ বিশেষ উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, নির্মাণ শেষ হওয়ার দুই দিনের মাথায় নদীসংলগ্ন অংশ এবং একটি ব্রিজের সংযোগস্থলের মাটি সরে গিয়ে সড়কের একাংশ ধসে গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সাভারের ধামসোনা ইউনিয়নের নলাই মুকেন্দ্র হাউস থেকে কারিগরপাড়া ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক এইচবিবিকরণ এবং তিনটি ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পটি জাইকার অর্থায়নে বাস্তবায়ন হচ্ছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রায় চার কোটি টাকা ব্যয়ের এ কাজের দায়িত্ব পায় সালেহ এন্টারপ্রাইজ। ২০২২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান কাজটির উদ্বোধন করেন।

সরেজমিনে ও এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সড়কটিতে ব্যবহৃত হয়েছে বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করা পুরোনো ও নিম্নমানের ইট। ঢালাইয়ে সিমেন্ট দেওয়া হয়েছে নামমাত্র। রাস্তার দুই পাশে স্থায়ী গাইডওয়াল ও মাটি ফেলার কথা থাকলেও সেখানে দেওয়া হয়েছে বাঁশের চাটাই ও কাঠের বেড়া। কিছু ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে প্লাস্টিকের বস্তায় মাটি ও বালু মিশ্রণ করে ফেলা হলেও তা ছিঁড়ে ইতোমধ্যেই বেরিয়ে গেছে।

দুই দিনেই ধসে গেলো ৪ কোটি টাকার সড়ক

শুধু তাই নয় ব্রিজের উভয় পাশে মাটি আটকে রাখার জন্য যে স্থায়ী ঢালাই বেষ্টনী দেওয়ার কথা ছিল। সেখানে ঢালাই না দিয়ে মাটি দিয়ে ভরাট করায় তা দুই দিনেই ধসে গেছে। আর যেসব স্থানে সিমেন্ট ঢালাইয়ের বেষ্টনী দেওয়া হয়েছে তা আঁকাবাঁকা। যা দেখতে অনেকটাই সাপের মতো। অনেক অংশে তা ভেঙে নিচে পড়ে রয়েছে। ইট বাঁচাতে সড়কের অনেক স্থানে কৌশলে ফাঁকা জায়গা রেখে তা মাটি দিয়ে ভরাট করা হয়েছে। এছাড়া সড়কের একটি অংশ বংশাই নদীর পাশে হওয়ায় সেখানে ইট-সিমেন্টের ব্লক ফেলা হলেও ফাঁকা স্থানগুলোতে সিমেন্টের পরিবর্তে বালু ও মাটি ব্যবহার করে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছিল। যা প্রথম দেখায়  যে কেউ মনে করবে কোনও কাঁচা রাস্তা।

স্থানীয় বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম বলেন, ব্রিজের গোড়ায় নদীতীর রক্ষায় বড় কংক্রিট ব্লক দেওয়ার কথা থাকলেও সেখানে বাঁশ ও কাঠ ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে নির্মাণ শেষ হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই সেগুলো ধসে নদীতে চলে গেছে।

দুই দিনেই ধসে গেলো ৪ কোটি টাকার সড়ক

কসাইপাড়া এলাকার বাসিন্দা মিষ্টুও কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর নির্মাণকাজ শেষ হলেও তা টেকসই হয়নি। নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করায় সামান্য বৃষ্টি ও চাপেই সড়কের অংশবিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার না করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সালেহ এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি সিরাজুল ইসলাম সুমন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমি এই কাজটা ২০২২-২৩ সাল থেকে শুরু করি। কিন্তু সবার অসহযোগিতার কারণে কাজটির খুবই ক্ষতি হয়েছে। এটি মূলত ২০২২ সালের কাজ। এখন পর্যন্ত শেষ করতে পারিনি। এর পেছনে অনেক বড় বৃত্তান্ত রয়েছে। এ নিয়ে আপনার সাথে সামনাসামনি কথা চাই।

দুই দিনেই ধসে গেলো ৪ কোটি টাকার সড়ক

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার (পিআইও) ফাইজুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ২২-২৩ অর্থবছরে প্রায় ৪ কোটি টাকা বাজেটে জাইকার অধীনে এই রাস্তা ও তিনটি ব্রিজের উন্নয়ন কাজ শুরু হয়। পরবর্তীতে সময় বাড়িয়ে কাজ চলমান রাখা হয়েছিল। নিয়মানুযায়ী ব্রিজের গোড়ায় ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে মাটি ভাঙন রোধে স্থায়ী প্রটেকশন ব্লক ফেলার কথা। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজের মান নিয়ে আমরা নিজেরাও মারাত্মক অসন্তুষ্ট। প্রজেক্টটি পরিদর্শনে এসে সংশ্লিষ্ট ডিজি স্যারও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, সম্প্রতি প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যেও আমরা সরেজমিনে এলাকাটি পরিদর্শন করে ঠিকাদারকে কাজের সমস্ত ত্রুটি ও অনিয়ম শুধরে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। সরকারি নিয়ম মেনে টেকসই গাইডওয়াল ও ব্লক নির্মাণ না করা পর্যন্ত ঠিকাদারকে চূড়ান্ত বিল দেওয়া হবে না। নিয়ম অনুযায়ী কাজ না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





Source link

×

FIFA World Cup Live

FIFA World Cup সরাসরি দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html