ঢাকাThursday , 17 September 2026
  1. অন্যান্য
  2. আবহাওয়া
  3. খেলা
  4. চাকরি
  5. জীবনযাপন
  6. তথ্যপ্রযুক্তি
  7. প্রেস রিলিজ
  8. বাণিজ্য
  9. বাংলাদেশ
  10. বিনোদন
  11. বিশ্ব
  12. ভিডিও
  13. মতামত
  14. রাজনীতি
  15. শিক্ষা
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এক ডিমের ওজন দেড় কেজি, দেখে অবাক সবাই


August 8, 2026 3:35 am
Link Copied!


উটপাখির ডিমের কথা অনেকেই জানেন, জীবিত পাখির মধ্যে সবচেয়ে বড় এর আকার। কিন্তু কাছ থেকে এটি দেখার সুযোগ খুব কম মানুষেরই হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার পাখি এমুর সবুজাভ-নীল ডিমও সচরাচর দেখা যায় না। সম্প্রতি মৌলভীবাজারের একটি বার্ড পার্কে উটপাখি ও এমু—দুই প্রজাতির পাখিই ডিম দিয়েছে। বিষয়টি দর্শনার্থীদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করেছে। 

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের আজমেরু গ্রামে অবস্থিত বার্ড পার্ক অ্যান্ড ইকো ভিলেজে শুক্রবার গিয়ে ডিম দুটি দেখা গেছে। উটপাখির দুটি ও এমু পাখির একটি ডিম সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে। দর্শনার্থীরা সেগুলো হাতে নিয়ে দেখছেন আর অবাক হচ্ছেন। উটপাখির ধূসর রঙের একটি ডিমের ওজন প্রায় দেড় কেজি। অন্যদিকে এমুর সবুজাভ-নীলচে ডিমটিও আকারে বেশ বড়। 

পার্কটিতে দুটি উটপাখি ও দুটি এমুকে পৃথক খাঁচায় রাখা হয়েছে। দর্শনার্থীরা কাছে গেলে পাখিগুলো ধীরগতিতে এদিক-ওদিক সরে যায়। তাদের চলাফেরা ও গড়ন সহজেই দর্শনার্থীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। 

উটপাখি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ও ভারী জীবিত পাখি। পূর্ণবয়স্ক একটি উটপাখির উচ্চতা আট থেকে ১০ ফুট এবং ওজন ৬৩ থেকে ১৪৫ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। ডানা থাকলেও ভারী শরীরের কারণে তারা উড়তে পারে না। তবে ঘণ্টায় প্রায় ৭০ কিলোমিটার বেগে দৌড়াতে সক্ষম। একটি উটপাখির ডিমের ওজন দেড় কেজির বেশি হতে পারে, যা প্রায় ২৪টি মুরগির ডিমের সমান। এরা মূলত আফ্রিকার তৃণভূমি, সাভানা ও শুষ্ক অঞ্চলে বাস করে। 

এমু পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম পাখি। অস্ট্রেলিয়ার এ উড়তে-অক্ষম পাখির উচ্চতা পাঁচ থেকে ছয় ফুট এবং ওজন ৪০ থেকে ৬০ কেজি পর্যন্ত হয়। ঘণ্টায় প্রায় ৫০ কিলোমিটার বেগে দৌড়াতে পারে। স্ত্রী এমু সাধারণত গাঢ় সবুজ বা নীলাভ-সবুজ রঙের বড় আকারের ডিম পাড়ে, যার ওজন ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রাম। উটপাখির মতো নয়, এমুর ডিমে তা দেয় পুরুষ পাখি। 

বার্ড পার্ক অ্যান্ড ইকো ভিলেজ কর্তৃপক্ষ জানায়, এটি দেশের অন্যতম বড় পরিবেশবান্ধব পাখি উদ্যান। এখানে উটপাখি ও এমু ছাড়াও বিভিন্ন দেশি-বিদেশি পাখি, ময়ূর, টার্কি, ব্ল্যাক সোয়ান, চিত্রা হরিণ, রাজহাঁস, চীনাহাঁস, রঙিন মাছ, কৃত্রিম ঝরনা, বার্ড লার্নিং সেন্টার, কিডস জোন ও ইলিউশন মিউজিয়াম আছে। 

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহেদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, ভবিষ্যতে এসব ডিম থেকে সফলভাবে বাচ্চা ফুটবে। প্রজনন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে জানাতে ডিমগুলো যতদিন না ফোটানো হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত দর্শনার্থীদের প্রদর্শনের জন্য সংরক্ষণ করা হবে। যাতে বিরল এই পাখিগুলোর প্রজনন সম্পর্কে মানুষ আরও বেশি জানতে পারে। 





Source link

×
📺

LIVE TV

Live Tv দেখতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।

📺 লাইভ দেখুন
error: Content is protected !!
🔴 LIVE html