সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আজ রবিবার (২৯ জুলাই) সারা দেশেই বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। দেশের অধিকাংশ অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণেরও আশঙ্কা রয়েছে।
রবিবার (১৯ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি দেশের কোথাও কোথাও ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
অধিদফতর জানিয়েছে, এই বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আগামী কয়েক দিনও অব্যাহত থাকবে। ২২ ও ২৩ জুলাই খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের ভারী বৃষ্টিপাত–সংক্রান্ত বিশেষ সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে রংপুর বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (৪৪-৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতি ভারী (৮৮ মিলিমিটারের বেশি) বর্ষণ হতে পারে। অতিভারী বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমিধস এবং নিচু এলাকায় অস্থায়ী জলাবদ্ধতার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে।
নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া পৃথক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর (এক নম্বর) সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
তবে সমুদ্রবন্দরগুলোর জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে আগের দেওয়া সতর্কসংকেত নামিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকবে এবং সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টির তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।